শিরোনাম

ঢাকা, ৩০ জুলাই, ২০২৬ (বাসস) : বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পখাতের মধ্যে কার্যকর এবং টেকসই সহযোগিতা গড়ে তোলা ছাড়া গবেষণা ও উদ্ভাবনকে জাতীয় উন্নয়নে কাজে লাগানো সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন।
তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে সৃষ্ট জ্ঞান ও উদ্ভাবনকে শিল্পের প্রয়োজন এবং বাজারের চাহিদার সঙ্গে সংযুক্ত করতে একাডেমিয়া-ইন্ডাস্ট্রি সহযোগিতার মাধ্যমে একটি জ্ঞান ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবনানন্দ দাশ কনফারেন্স হলে আয়োজিত ‘অ্যাকাডেমিয়া-ইন্ডাস্ট্রি কোলাবরেশন ফর ইনোভেশন, রিসার্চ অ্যান্ড মার্কেট’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আজ এ কথা বলেন।
আজ ইউজিসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কেবল জ্ঞান বিতরণের কেন্দ্র না বানিয়ে গবেষণা, উদ্ভাবন ও নতুন ধারণার বিকাশের কেন্দ্র হিসেবে রূপান্তর করতে হবে। যৌথ গবেষণা, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে ইন্ডাস্ট্রি ও একাডেমিয়ার অংশীদারত্ব জোরদার করতে হবে। এ ধরনের উদ্যোগ উচ্চশিক্ষাকে কর্মমুখী করার পাশাপাশি দেশ গঠনে জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তুলতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।’
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন অর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবাল, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান, পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছবিরুল ইসলাম হাওলাদার এবং পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম সাইফুল ইসলাম।
একই দিন ‘তারুণ্য ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ শীর্ষক অপর এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মামুন তরুণ প্রজন্ম ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, উচ্চশিক্ষাকে সময়োপযোগী ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষম করতে বর্তমান সরকার ও ইউজিসি যৌথভাবে বহুমুখী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভাষা শেখার পরিধি বাড়াতে নতুন করে আরও ৩০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকারি সহযোগিতায় ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র চালু করা হবে।
এছাড়া অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি মানবসম্পদ উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রায় ৫০ হাজার শিক্ষার্থীকে আইসিটি, ভাষা ও নৈতিকতা বিষয়ে বিশেষ দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।