শিরোনাম

ঢাকা, ৯ জুলাই, ২০২৬ (বাসস) : উত্তরাঞ্চলের নৌ-যোগাযোগ উন্নয়ন, যাত্রীসেবা সম্প্রসারণ এবং নদীবন্দরভিত্তিক অবকাঠামো গড়ে তুলতে যমুনা নদীর তীরে দুটি নতুন নদী বন্দর ঘোষণা করেছে সরকার।
বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি নদীবন্দর এবং বগুড়া-সিরাজগঞ্জ অঞ্চলের ধুনট নদীবন্দরকে আনুষ্ঠানিকভাবে গেজেটভুক্ত করা হয়েছে।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের টি শাখা থেকে গতকাল বুধবার (৮ জুলাই) জারি করা পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পোর্ট অ্যাক্ট, ১৯০৮-এর ধারা ৪-এর উপধারা (১)-এর দফা (ক) এবং উপধারা (২)-এর ক্ষমতাবলে দুটি নদী বন্দরের সীমানা নির্ধারণ করে সংশ্লিষ্ট এলাকায় আইনের প্রয়োগ কার্যকর করা হয়েছে।
গেজেট অনুযায়ী, সারিয়াকান্দি নদী বন্দরের উত্তর সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে, সারিয়াকান্দি উপজেলার কালিতলা ঘাটের উত্তরে হাটশেরপুর ইউনিয়নের দিঘাপাড়া ঘাট থেকে যমুনার পূর্ব তীরে কাজলা ইউনিয়নের জামথল ঘাট পর্যন্ত।
দক্ষিণ সীমানা বিস্তৃত হয়েছে কর্ণিবাড়ি ইউনিয়নের মধুরাপাড়া ঘাট থেকে পূর্ব তীরে নারপালা মৌজার মূলবাড়ি পর্যন্ত।
অন্যদিকে, ধুনট নদী বন্দরের উত্তর সীমানা শুরু হয়েছে সারিয়াকান্দি উপজেলার কর্ণিবাড়ি ইউনিয়নের মধুরাপাড়া ঘাট এলাকা থেকে এবং দক্ষিণ সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার তেকুরিয়া হাটসংলগ্ন যমুনা নদী হয়ে বগুড়ার ধুনট উপজেলার ভাতরবাড়ি ইউনিয়নের চৌবার মৌজার বেশাঘীর চর পর্যন্ত।
দুই বন্দরের ক্ষেত্রেই নদীর পূর্ব ও পশ্চিম তীরে সাধারণ ভরাকালের সময় সর্বোচ্চ পানি সমতল থেকে ভূ-ভাগের দিকে ৫০ গজ পর্যন্ত এলাকা বন্দরের সীমানার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, সারিয়াকান্দি নদী বন্দরের আওতায় দিঘাপাড়া, কালিতলা, মধুরাপাড়া, জামথল ও সোনাদগা ঘাটসহ বিদ্যমান খাল ও ঘাটসমূহ অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
একইভাবে ধুনট নদী বন্দরের আওতায় চন্দনবাইশা, শাহরাবাড়ি ঘাটসহ বিদ্যমান খাল ও ঘাটগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এছাড়া নৌপথ উন্নয়ন, জেটি ও অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণ এবং যাত্রীসেবা নিশ্চিত করার স্বার্থে বন্দর সীমানার মধ্যে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান থাকলে তা বাতিল বলে গণ্য হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।