বাসস
  ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৩:১৫

জাদুশিল্পকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিয়ে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে অন্তর্ভুক্তির ঘোষণা মন্ত্রীর

আজ সন্ধ্যায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে জাদুশিল্পী ঐক্য সংস্থা আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। ছবি : পিআইডি

ঢাকা, ৮ জুলাই ২০২৬ (বাসস) : জাদুশিল্পকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিতে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে অন্তর্ভুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।

আজ সন্ধ্যায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে জাদুশিল্পী ঐক্য সংস্থা আয়োজিত বর্ণাঢ্য ‘অভিষেক ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।

সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, জাদুশিল্পকে পারফর্মিং আর্টের একটি  জনপ্রিয় ও গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে  সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অন্তর্ভুক্ত করা হলো। পারফর্মিং আর্ট তথা জাদুশিল্প হচ্ছে আমাদের সৃজনশীল অর্থনীতি বা ‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’র একটি অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যম, যা বিনোদনের পাশাপাশি ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে। জাদুশিল্পীদের কল্যাণে নতুন অর্থবছরের বাজেট থেকে সাধ্যমতো আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করা হবে।

এ সময় তিনি প্রতি মাসে অন্তত একবার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে জাদু প্রদর্শনীর আয়োজন করার বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সম্মতি জ্ঞাপন করেন।

মন্ত্রী পাহাড় ও সমতলের সকল জাতিগোষ্ঠীর সংস্কৃতিকে ঐক্যবদ্ধ করে হাজার বছরের পুরনো বিশ্বখ্যাত বাঙালি সংস্কৃতিকে পুনরুজ্জীবিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ বক্তা ও সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন জাদুকর এবং জাদুশিল্পী ঐক্য সংস্থার প্রধান উপদেষ্টা জুয়েল আইচ। তিনি দেশে জাদুশিল্পের প্রসারে সরকারের এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জাদুশিল্পী ঐক্য সংস্থার সভাপতি শাহীন শাহ, যিনি দেশীয় জাদুশিল্পের বর্তমান বাস্তবতার নানাদিক তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন জাদুশিল্পী ঐক্য সংস্থার উপদেষ্টা এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পরিচালক ও কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন, সংস্থার উপদেষ্টা বিপাশা আইচ, এটিএন মিডিয়া কমিউনিকেশনস-এর সিইও ও উপদেষ্টা সাজেদুর রহমান মুনীম, বিআরবি ক্যাবলস-এর ডিজেএম ও উপদেষ্টা মো. সাইফুল ইসলাম এবং এটিএন এডুকেশন লিমিটেডের পরিচালক ও উপদেষ্টা রোকসানা আখতার রিনি।

অনুষ্ঠান শেষে দেশের শীর্ষস্থানীয় ও উদীয়মান নারী-পুরুষ জাদুশিল্পীদের অংশগ্রহণে একটি মনোজ্ঞ জাদু প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।