বাসস
  ০৬ জুলাই ২০২৬, ১৪:১০

৪১ লাখ ফ্যামিলি কার্ডধারী ও ৪৩ লাখ কৃষক কার্ডধারীকে নিয়ে শক্তিশালী গ্রামীণ অর্থনেতিক কাঠামো গড়ে তোলা হবে: মীর শাহে আলম

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। ফাইল ছবি

ঢাকা, ৬ জুলাই ২০২৬( বাসস): স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, ৪১ লাখ ফ্যামিলি কার্ডধারী ও ৪৩ লাখ কৃষক কার্ডধারীদের নিয়ে শক্তিশালী গ্রামীণ অর্থনেতিক কাঠামো গড়ে তোলা হবে। এই অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে তুলতে সরকার কৃষককার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, তৃণমূল পর্যায়ে খাল খনন, শিক্ষা বিস্তারে নানা প্রকল্পের কাজ শুরু করেছে।

আজ সোমবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে 'জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উপলক্ষে  বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। 

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দিবসটির এবারের ‘প্রতিপাদ্য- উন্নত পল্লী সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।

সভায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পল্লী উন্নয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সকল সেক্টরকে তৃণমূল পর্যায়ে আমরা কাজে লাগাব, যাতে গ্রামীণ অর্থনীতি অন্য পর্যায়ে পৌছে যায়। গ্রামীন উন্নয়ন উচ্চশিখরে নিয়ে যাওয়া হবে।’

পল্লী উন্নয়ন বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, 'আপনাদের কাজ সহজ করে দিয়েছে সরকার। এই অর্থবছরে টার্গেটেড গ্রুপ হবে ৪১ লাখ পরিবারের প্রধান নারীকে ফ্যামিলি কার্ড দেয়া হবে। 

সেই কার্ডধারী নারীদের সমিতির সদস্য করতে হবে। এই অর্থবছরে ৪৩ লাখ কৃষককে 'কৃষক কার্ড' ও অর্থ দিবে। ঐ কার্ডধারীদের ঐক্যবদ্ধ করবেন।'

বক্তব্যের শুরুতে তিনি বলেন,  শুধু এতটুকু বলব, ' ছোটবেলায় যে গ্রামটি দেখেছি শহীদ রাষ্ট্রপতি  জিয়াউর রহমানের হাত ধরে যে গ্রাম সরকার,  যে সমিতি যে উন্নয়ন হয়েছিল যার ধারাবাহিকতা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া অব্যাহত রেখেছিলেন, আমরা আবার সেখানে ফিরে যেতে চাই। গ্রামীন উন্নয়ন  দেখেছিলাম তেমন গ্রাম চাই। ঐ গ্রাম চাই যেখানে সঠিক সমিতি থাকবে,সঠিক পল্লী ব্যবস্থাপনা থাকবে,  সেই পল্লী সমিতি চাই, গ্রামের মানুষের মধ্যে  ঐক্যবদ্ধতা থাকবে।'

তিনি বলেন, ' গ্রামীন উন্নয়নে সবুজ বিপ্লব চাই, সেই সমিতি চাই, সেই উন্নয়ন সেই ঐক্যবদ্ধতা ফেরত আনতে হবে। আমাদের সৌভাগ্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমরা পেয়েছি।  পল্লী উন্নয়ন সকল সেক্টরকে তৃণমূল পর্যায়ে আমরা কাজে লাগাব, যাতে গ্রামীন অর্থনীতি অন্য পর্যায়ে পৌছে যায়। গ্রামীন উন্নয়ন উচ্চশিখরে নিয়ে যাব। 

সভায় সভাপতিত্ব করেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব  শওকত রশীদ চৌধুরী।