শিরোনাম

সাতক্ষীরা, ২৩ জুন ২০২৬ (বাসস) : জেলায় এবার মোট ২ লাখ ৫৩ হাজার ৭২৩ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ২৮ জুন (রোববার) দেশব্যাপী জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে এই লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়।
“ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ান, শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি কমান” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আগামী ২৮ জুন দেশব্যাপী জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন এ তথ্য জানানো হয়। আজ বিকাল ৩টায় সাতক্ষীরা সিভিল সার্জনের সম্মেলন কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, জেলার ৭টি উপজেলা ও ২টি পৌরসভার মোট ১ হাজার ৯৩৮টি কেন্দ্রে একযোগে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। জেলায় এবার মোট ২ লাখ ৫৩ হাজার ৭২৩ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ২৭ হাজার ৯২১ জন শিশুকে নীল রঙের ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ২ লাখ ২৫ হাজার ৮০২ জন শিশুকে লাল রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
সাতক্ষীরা জেলা সিভিল সার্জন ডা. আব্দুস সালাম ক্যাম্পেইনের বিস্তারিত তথ্য ও প্রস্তুতির বিবরণ তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সংক্রান্ত মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. ইসমত জাহান সুমনা। জেলা স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমানের সঞ্চালনায় এতে সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. জয়ন্ত সরকারসহ জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক এবং স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সিভিল সার্জন ডা. আব্দুস সালাম বলেন, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল কেবল শিশুদের অন্ধত্ব থেকেই রক্ষা করে না, বরং এটি শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন রোগে শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে আনে।
তিনি বলেন, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর পাশাপাশি স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে শিশুর জন্মের পর প্রথম ৬ মাস পর্যন্ত মায়ের শালদুধ এবং পরবর্তী সময়ে সাধারণ খাবারের পাশাপাশি রঙিন শাকসবজি খাওয়ানোর ব্যাপারেও ব্যাপক প্রচারণা চালানো হচ্ছে। জেলার কোনো শিশু যেন এই ক্যাম্পেইন থেকে বাদ না পড়ে, সে লক্ষ্যে তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।