শিরোনাম

গাইবান্ধা, ২০ জুন, ২০২৬ (বাসস) : দুর্যোগ ও জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় যথাযথ পদক্ষেপ ও কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বক্তারা। গতকাল শুক্রবার বিকেলে শ্রীপুর ইউনিয়ন কমপ্লেক্সে আয়োজিত এক কর্মশালায় বক্তারা এ কথা বলেছেন।
তারা আরও বলেছেন, ‘সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাবের কারণে জলবায়ু পরিবর্তন-প্রবণ এলাকার মানুষ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এবং অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ছেন।
এই প্রেক্ষাপটে, প্রয়োজনভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমে জলবায়ু-আক্রান্ত কৃষকদের জলবায়ু-সহনশীল প্রযুক্তির সাথে খাপ খাইয়ে তাদের ভালো রাখার কোনো বিকল্প নেই।’
শুক্রবার বিকেলে জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়ন কমপ্লেক্সের হলরুমে দুর্যোগ ও জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলা বিষয়ক দিনব্যাপী এক কর্মশালায় বক্তব্য রাখার সময় তারা এই মন্তব্য করেন।
কনসার্ন ওয়ার্ল্ডওয়াইডের সহযোগিতায় এবং দেশব্যাপী কর্মরত এনজিও গণ উন্নয়ন কেন্দ্র (জিইউকে) জুরিখ ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট প্রজেক্টের অধীনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইফফাত জাহান তুলি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন।
ইউনিয়ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা, আমন্ত্রিত ব্যক্তিবর্গ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও এনজিও কর্মীরা কর্মশালায় অংশ নেন এবং বিস্তারিত আলোচনার পর অংশগ্রহণকারীরা দুর্যোগ ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রবণ এলাকার জনগণকে দুর্যোগ ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট ক্ষতি কমাতে অভিযোজনক্ষম করে তোলার জন্য তাদের সুপারিশ প্রদান করেন।
তারা জলবায়ু-আক্রান্ত জনগণের জলবায়ু সহনশীলতার সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দেন।
এ প্রসঙ্গে উপজেলায় প্রকল্পটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ইউএনও সব ধরনের প্রশাসনিক সহায়তা ও সহযোগিতা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেন।
উল্লেখ্য, দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস এবং জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গাইবান্ধা ও লালমনিরহাট জেলার ২০টি ইউনিয়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রকল্পের একজন কর্মকর্তা এ কথা জানান।