বাসস
  ১৬ জুন ২০২৬, ১৫:৩৬

চায়না-সাউথ এশিয়া এক্সপোতে বাংলাদেশের ৬ পুরস্কার অর্জন

ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা, ১৬ জুন, ২০২৬ (বাসস): চীনের ইউনান প্রদেশের রাজধানী কুনমিংয়ে শেষ হওয়া আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ইভেন্ট ‘১০ম চায়না-সাউথ এশিয়া এক্সপো এবং ৩০তম চায়না কুনমিং আমদানি-রপ্তানি মেলা-২০২৬’- এ ছয়টি মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার অর্জন করেছে বাংলাদেশ, যা দেশের জন্য একটি অন্যতম বড় সাফল্য।
আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) ‘আউটস্ট্যান্ডিং এক্সিবিশন অর্গানাইজার’ পুরস্কার লাভ করেছে।

কুনমিংয়ে বাংলাদেশ কনস্যুলেটের প্রথম সচিব (বাণিজ্যিক) রিদওয়ানুর রহমানের উপস্থিতিতে ইপিবির পরিচালক মোহাম্মদ ওয়ারেছ হোসেন এবং উপ-পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম এই পুরস্কার গ্রহণ করেন।

এ বছর বাংলাদেশ চারটি ক্যাটাগরিতে মোট ছয়টি পুরস্কার অর্জন করেছে। এর মধ্যে দেশের তিনটি প্রতিষ্ঠান-আড়ং, সাসটেইনেবল বাংলাদেশ এবং ক্লে ইমেজ ‘বেস্ট এক্সিবিটর’ হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছে। এছাড়া ‘বেস্ট প্যাভিলিয়ন’ ও ‘বেস্ট বুথ ডিজাইন’ ক্যাটাগরিতেও বাংলাদেশ পুরস্কার লাভ করে।

ইউনান প্রদেশের বাণিজ্য বিভাগের উপ-মহাপরিচালক সুন মিং সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।

উল্লেখ্য, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ব্যবস্থাপনায় এবং কুনমিংস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের সহযোগিতায় গত ১১ জুন কুনমিংয়ের ডিয়ানচি ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন অ্যান্ড এক্সিবিশন সেন্টারে মেলা এবং থিম কান্ট্রি হিসেবে বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং চীনের ইউনান প্রদেশের গভর্নর ওয়াং ইউবো।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, আখতার হোসেন এমপি, মো. খালেদ হোসেন মাহবুব এমপি, সুলতানা জেসমিন এমপি, চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নাজমুল ইসলাম, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ, কুনমিংয়ে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ইপিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

মেলার সাইডলাইন ইভেন্ট ‘বিগ মার্কেট ফর অল: এক্সপোর্ট টু চায়না’-তে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ চীনে বাংলাদেশের ব্যবসা ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

এ বছর বাংলাদেশের রেকর্ডসংখ্যক ১০১ প্রতিষ্ঠানের ১৭৫ জন প্রতিনিধি মেলায় অংশগ্রহণ করেন। বিশ্বের ৬৮টি দেশের প্রায় ২ হাজার ৩০০ প্রদর্শক এ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় অংশ নেন। মেলার দ্বিতীয় দিনে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন করা হয়।