শিরোনাম

সিলেট, ৪ জুন, ২০২৬, (বাসস): কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের উদ্যোগে সিলেটে তিন দিনব্যাপী কৃষি উদ্যোক্তা মেলা শুরু হয়েছে।
সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান আজ বৃহস্পতিবার নগরীর জেলা স্টেডিয়ামের মোহাম্মদ আলী জিমনেসিয়ামে এই মেলার উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান বলেন, কৃষি ছাড়া আমরা বাঁচতে পারবো না। আমাদের বাঁচতে হলে প্রথমে প্রয়োজন খাদ্যের যা কৃষিখাত থেকে কৃষকের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়ে থাকে।
উদ্যোক্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যারা সফল উদ্যোক্তা হিসেবে এগোতে চান তারা পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ শুরু করবেন। পরিকল্পনা না থাকলে সফলতা আসে না। তাই নিজেকে সঠিক লক্ষের দিকে এগিয়ে নিয়ে সফল উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক জুলিয়া যেসমিন মিলির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সিলেট কার্যালয়ের যুগ্ম-পরিচালক হুমায়রা জাহান রুপু, সিলেটের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক ড. মো. মোশাররফ হোসেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের মুখ্য আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ ফয়জুর রহমান শহীর, বিসিকের মহাব্যবস্থাপক সোহেল হাওলদার।
সভাপতির বক্তব্যে উপ-পরিচালক জুলিয়া যেসমিন মিলি বলেন, কৃষক এবং ভোক্তার মধ্যকার সেতু বন্ধন বা সংযোজন হচ্ছে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর। এই সেতু বন্ধনের মাধ্যমে কৃষক তার পণ্য বাজারে ভোক্তার কাছে পৌঁছে দেয়। কৃষক তার পণ্য উৎপাদন করে কীভাবে ভ্যালু এড করে নিলে তার ন্যায্যমূল্য পাবে সেই বিষয়ে কৃষকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর।
কৃষিপণ্য কীভাবে নিরাপদ খাদ্য হিসেবে ভোক্তা পর্যায়ে বাজারজাত হতে পারে সেই বিষয়ে লক্ষ্য রেখে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
কৃষকের নানাবিধ সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করে তার উৎপাদিত পণ্য পরিবহন ও বাজারজাতকরণের ব্যবস্থা করে থাকে। প্রতিটা কৃষি পণ্যের মূল্য কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে দেয়া আছে যা দেখে কৃষক তার পণ্যের মূল্য নির্ধারণ করে বিক্রি করতে পারেন।
তিনি বলেন, কৃষি বিপণন অধিদপ্তর কৃষককে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে থাকে। এই গুরুত্ব দেয়ার কারণে কৃষি পণ্য নিয়ে যারা কাজ করেন তারা কৃষক থেকে কৃষি ব্যবসায়ী হতে পারেন। তাদেরকে নিয়েই আজকের এই কৃষি উদ্যোক্তা মেলা।
উদ্বোধন শেষে বিভাগীয় কমিশনার অতিথিদের নিয়ে মেলার প্রতিটি স্টল পরিদর্শন করেন।