বাসস
  ৩১ মে ২০২৬, ১৪:৪৫

জিয়ার ১৯ দফা কর্মসূচি দেশের অর্থনীতিতে নতুন দিগন্তের সূচনা করে

ছবি : বাসস

কক্সবাজার, ৩১ মে, ২০২৬(বাসস) : স্বাধীনতার ঘোষক ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণ সভায় বক্তারা বলেছেন, জিয়াউর রহমানের ঘোষিত ১৯ দফা কর্মসূচি দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাঠামোয় নতুন দিগন্তের সূচনা করে। 

গতকাল শনিবার (৩০ মে) রাতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ‘স্মরণে শহীদ জিয়া’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজার (জেইউসি)-এর উদ্যোগে জেলা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজার এর সভাপতি মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম হেলালীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন বাহারি, দৈনিক ইনকিলাবের কক্সবাজার ব্যুরো প্রধান ও কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সদস্য শামসুল হক শারেক, যুগ্ম সম্পাদক ইকরাম চৌধুরী টিপু, সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজার এর সহসভাপতি মাহবুবুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক এসএম জাফর প্রমুখ।

মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম হেলালী বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন মহান স্বাধীনতার ঘোষক এবং আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক।’

তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমান শুধু একজন রাষ্ট্রনায়ক নন, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক হিসেবে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় অধ্যায় হয়ে আছেন। তাঁর আদর্শ, দেশপ্রেম ও দূরদর্শী নেতৃত্ব স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনা ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠনে সুদূরপ্রসারী প্রভাব রেখেছে।’

কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবর রহমান বলেন, ‘জিয়াউর রহমান কেবল রাষ্ট্র পরিচালনায় সীমাবদ্ধ ছিলেন না। তিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন একটি আধুনিক, উন্নয়নমুখী, মুক্ত ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের। তাঁর ঘোষিত ১৯ দফা কর্মসূচি ও বাস্তবভিত্তিক নীতি-নির্ধারণ দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাঠামোয় নতুন দিগন্তের সূচনা করে। তাঁর কল্যাণেই সাংবাদিকরা পেয়েছে লেখনীর স্বাধীনতা।’

কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন বাহারি বলেন, শহীদ জিয়ার কর্মময় জীবন, অগাধ দেশপ্রেম, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর নীতি, ন্যায় ও সুবিচার প্রতিষ্ঠায় অটলতা, স্বনির্ভর উন্নয়ন ভাবনা ও জীবনাদর্শ নতুন প্রজন্মের জন্য চিরকাল অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।