বাসস
  ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৬:২১

খুবিতে স্মার্ট বোর্ডের ফিচার সম্পর্কে অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ছবি : বাসস

খুলনা, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (বাসস) : খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুবি)’র বিভিন্ন ডিসিপ্লিনে নতুন করে স্মার্ট বোর্ড সংযুক্ত করা হচ্ছে। এসব স্মার্ট বোর্ডের বিভিন্ন ফিচার সম্পর্কে অবহিতকরণ এবং এর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে আজ সকালে এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুবি উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম। তিনি  বলেন, ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের শিক্ষা কারিকুলামকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করে সাজাতে হবে। এ কারণেই প্রতিটি ডিসিপ্লিনে স্মার্ট বোর্ড ও কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হচ্ছে। স্মার্ট বোর্ড অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি প্রযুক্তি উল্লেখ করে তিনি এর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন ও দক্ষ হওয়ার আহ্বান জানান। একইসাথে কর্মশালা আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান।

কর্মশালায় রিসোর্স পারসন হিসেবে স্মার্ট বোর্ড ব্যবহারের বিভিন্ন টেকনিক্যাল দিক তুলে ধরেন হিকভিশন বাংলাদেশের প্রতিনিধি সাকিব হাসান। এতে নগর ও গ্রামীণ পরিকল্পনা ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর ড. মো. জাকির হোসেন এবং পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক প্রফেসর ড. কাজী সাইফুল ইসলামসহ বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের শিক্ষকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবন সংলগ্ন জামে মসজিদের পুকুরে দৃষ্টিনন্দন সিঁড়ি ঘাট নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। পুকুরের পশ্চিম পাশে এ অবকাঠামোটি গড়ে তোলা হচ্ছে। যা মসজিদে আগত মুসল্লিদের জন্য ব্যবহারবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করবে।

আজ সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম সরেজমিনে সিঁড়ি ঘাট নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি গুণগতমান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্নের জন্য সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের নির্দেশনা দেন।

প্রকল্পের নকশা অনুযায়ী, পুকুরের পশ্চিম পাশে সিঁড়ি ঘাটটি নির্মিত হচ্ছে। মসজিদ থেকে সরাসরি পুকুরে যাতায়াতের জন্য একটি সংযোগ সড়কও নির্মাণ করা হবে। মুসল্লিদের সুবিধার্থে প্রকল্পের আওতায় নতুন টয়লেট ও আধুনিক ওজুখানার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। যা মসজিদের সার্বিক সুবিধা বৃদ্ধি করবে। এছাড়া পুকুরের দক্ষিণ পাশে বসার বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। দৃষ্টিনন্দন এ স্থাপত্যশৈলী সম্পন্ন হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদ প্রাঙ্গণের সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।