বাসস
  ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৭

ঢাবি রোভার স্কাউট গ্রুপের হীরক জয়ন্তী উদযাপিত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপের ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে হীরক জয়ন্তী উৎসব শুক্রবার ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে উদযাপিত হয়েছে। ছবি: বাসস

ঢাকা, ৩ এপ্রিল, ২০২৬ (বাসস) : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপের ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে হীরক জয়ন্তী উৎসব শুক্রবার ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে দু’দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে ছিল— র‌্যালি, পতাকা উত্তোলন, বেলুন ও পায়রা উড়ানো প্রভৃতি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী পর্বে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপের সভাপতি উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকার এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাক্তন রোভার স্কাউট ফোরাম (ডুরসেফ)-এর সভাপতি মোহাম্মদ শাহজাহান বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। রোভার স্কাউট গ্রুপের উপদেষ্টা অধ্যাপক মো. রমজুল হক স্কাউট ব্যক্তিত্ব হিসেবে বক্তব্য রাখেন। রোভার স্কাউট গ্রুপের লিডার ড. ফাতিমা আক্তার স্বাগত বক্তব্য রাখেন। হীরক জয়ন্তী উদযাপন কমিটির সদস্য-সচিব মোহাম্মদ জহির আহম্মেদ সরকার ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। রোভার স্কাউট গ্রুপের লিডার তানজীনা বিনতে নূর ও সাবেক সিনিয়র রোভার মেট  মেহেদী হাসান অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপ দীর্ঘ ছয় দশক ধরে শৃঙ্খলা, সেবা ও মানবিক মূল্যবোধের মাধ্যমে দক্ষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক তৈরিতে অনন্য ভূমিকা পালন করছে।
 
সমাজ পরিবর্তনে স্কাউটদের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, অসামাজিক কার্যক্রম রোধ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে তাদের আরো সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সুশৃঙ্খল রাখতেও তিনি স্কাউট সদস্যদের অগ্রণী ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। তিনি স্কাউটদের সেবামূলক কার্যক্রমে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাতীয় উন্নয়ন ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে ২০ লাখ স্কাউটকে সরকারি কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত করা হবে। ‘মেন্টরিং’, বৃক্ষরোপণ এবং জ্বালানি সাশ্রয়সহ বিভিন্ন জনসেবামূলক কাজে স্কাউটদের দক্ষতা ও নৈতিকতাকে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। সুশৃঙ্খল ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্কাউট বাহিনী আগামী দিনে দেশ ও সমাজ গঠনে সরাসরি নেতৃত্ব দেবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।