বাসস
  ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৯:৪১

সার ক্রয়, জ্বালানি আমদানি ও প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি অনুমোদন করেছে সরকারি ক্রয় কমিটি

ঢাকা, ৩১ মার্চ, ২০২৬ (বাসস): সার, ডিজেল ও অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানিসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্রয় প্রস্তাব এবং চলমান অবকাঠামো প্রকল্পের ব্যয় সংশোধনের অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। 

আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত চলতি বছরের সিসিজিপির ১৩তম বৈঠকে এসব অনুমোদন দেওয়া হয়। 

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বৈঠকে মোট ১০টি প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে ৬টি প্রস্তাব অনুমোদন করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো ৪টি প্রস্তাব প্রত্যাহার করে নেয়।

অনুমোদিত প্রস্তাবগুলোর মধ্যে কৃষি মন্ত্রণালয়ের একটি প্রস্তাবে রাশিয়ার জেএসসি ফরেন ইকোনমিক করপোরেশন (প্রডিনটর্গ) থেকে ৩৫ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) মাধ্যমে বাস্তবায়নাধীন এ ক্রয়ের ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৫৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকা; যেখানে প্রতি মেট্রিক টনের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৬০ দশমিক ৫৩ মার্কিন ডলার।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে উত্থাপিত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে; যা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে সহায়ক হবে।

এর মধ্যে কাজাখস্তানের এক্সন মোবিল কাজাখস্তান ইনকরপোরেটেড থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে এক লাখ মেট্রিক টন ডিজেল (ইএন-৫৯০, ১০ পিপিএম) আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া ইন্দোনেশিয়ার পিটি বুমি সিয়াক পুসাকো জাপিন (বিএসপি জাপিন) থেকে সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) পদ্ধতিতে ৬০ হাজার মেট্রিক টন গ্যাস অয়েল (ডিজেল) আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।

মধ্যপ্রাচ্যের বিদ্যমান অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে আবির ট্রেড অ্যান্ড গ্লোবাল মার্কেটস থেকে এক লাখ মেট্রিক টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির প্রস্তাবও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া বৈঠকে দুটি বড় অবকাঠামো প্রকল্পের ব্যয় সংশোধনের অনুমোদন দেওয়া হয়।

নারায়ণগঞ্জের আলীগঞ্জে সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য দুটি ১৫ তলা ভবন নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় ১৪ দশমিক ৮৩৭ শতাংশ বৃদ্ধি করে ১০৯ কোটি ৩৬ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে; যা পূর্বে ছিল ৯৫ কোটি ২২ লাখ টাকা। প্রকল্পটি পিবিএল ও ডিসিএল (যৌথ উদ্যোগ) বাস্তবায়ন করছে।

অন্যদিকে কুলাউড়া-শাহবাজপুর রেলপথের বাঁধ, সেতু ও ট্র্যাক পুনর্বাসন প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধি করে ৬৭২ কোটি ৫২ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে; যা আগে ছিল ৫৪৪ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। কাজটি বাস্তবায়ন করছে কালিন্দী রেল নির্মাণ।