শিরোনাম

ঢাকা, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেছেন, ঢাকা শহরের নাগরিক সমস্যা নিয়ে দক্ষিণের প্রশাসকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি।
আজ শনিবার ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালামের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
ইশরাক হোসেন বলেন, আজকে আমি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নবনিযুক্ত প্রশাসক আব্দুস সালামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এবং ঢাকা শহরের যে সমস্যাগুলো রয়েছে, আমরা সেগুলো কিভাবে নিরসন করব সেই বিষয়ে প্রাথমিক আলাপ আলোচনা করার জন্য এসেছিলাম।
এ সময় তিনি আরও বলেন, আমাদের মধ্যে কয়েকটি বিষয় নিয়ে অত্যন্ত ফলপ্রসু আলোচনা হয়েছে। এই বিষয়গুলোর মধ্যে আগামী ডেঙ্গুর সিজনের আগে যাতে মশক নিধন কর্মসূচিটা আমরা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিতে পারি— এটা গুরুত্ব পাচ্ছে।
ইশরাক বলেন, এ ছাড়া আমাদের নানামুখী আরো অনেকগুলো সমস্যা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, রাস্তাঘাটের মেইনটেনেন্সের একটা প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে বিভিন্ন জায়গায়। তো এই সকল বিষয় নিয়ে আমরা আলাপ আলোচনা করতে এসেছি।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উনি আমাদের সবাইকে নির্দেশ দিয়েছেন যে বিশেষ করে ঢাকার যারা নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং প্রশাসক আমরা যারা আছি, তাদেরকে নাগরিকদের কষ্ট লাঘব করার জন্য যেমন কাজ করতে হবে। এর পাশাপাশি সামনে আসন্ন যে থ্রেডগুলো রয়েছে, যেমন ডেঙ্গু, বর্ষার মৌসুমে জলাবদ্ধতা, এ রকম অন্যান্য বিষয় বিষয় নিরসনে আমরা সবাই একসাথে মিলে একটা টিম হয়ে যেন কাজ করি।
তিনি বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা কাজ করে যাব। সেটার জন্য আমরা আজকে এখানে এসেছি।
প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, সিটি কর্পোরেশন ইলেকশন আমি একবার করেছি। আপনারা নিশ্চয়ই মনে থাকবে ২০২০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি সিটি ইলেকশনে আমি অংশগ্রহণ করেছিলাম।
তিনি আরও বলেন, ঢাকা শহরের নাগরিক সমস্যা নিয়ে আজকে থেকে না দীর্ঘদিন যাবৎ আমি কাজ করে আসছি এবং পার্টির বিভিন্ন ফোরামেও নাগরিক সমস্যা সংক্রান্ত যে কোন প্রোগ্রামে আমি সব সময় যুক্ত থাকতাম।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বলেন, যদি দল আমাকে মনোনয়ন দেয় এবং যদি দল মনে করে যে আমি নির্বাচন করব এবং অন্য কেউ করবেন না তাহলে পরেই আমি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারি। কারণ আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচন করে পার্লামেন্টে যাচ্ছি এবং আমার সৌভাগ্য যে আমি তারেক রহমানের ফার্স্ট ক্যাবিনেটে স্থানও পেয়েছি।
ইশরাক হোসেন আরও বলেন, পরবর্তীতে যেটা আমাদের মহাসচিব বলেছেন যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী যে পার্লামেন্টে ডিসাইড হবে এবং সবশেষে দলীয় মনোনয়ন কে পাবে এটা দল নির্ধারণ করবে।
তিনি বলেন, এর পাশাপাশি একটা বিষয় আজকে একটু না বললেই নয়।
ইশরাক বলেন, ‘আমরা দেখেছি যে সর্বশেষ যে সংসদ নির্বাচনটি হলো, সেখানে আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী একটি রাজনৈতিক দল অস্বাভাবিক হারে তারা ভোট পেয়েছে। মানে এটা কল্পনার বাইরে। আমি আমার আসনের কথাই বলতে চাই, ১৯৯৬ সালে সেখানে জামাতে ইসলামীর সর্বোচ্চ ভোট তাদের জীবনে ৩০০০ ভোট পেয়েছিল এবং সেখানে হাতপাখা তারা পেয়েছিলেন ৬০০০। তো আমরা এই ভোটার লিস্টটার ব্যাপারে আমার মনে হয় যে আমি সরকারের কাছে এই ব্যাপারে জানাবো যে এটাকে আবার ভেরিফিকেশন করা উচিত যে ভোটাররা কারা এবং ভোটার লিস্টটা সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে কি না।’
তিনি বলেন, যারা এখানকার বাসিন্দা তারাই হয়েছে। কিনা বা কোন ডুপ্লিকেসি হচ্ছে কিনা অন্য কোন এলাকার সাথে। কারণ এই বিষয়টা আসলে বোধগম্য নয়, বিশ্বাসযোগ্যও নয় এবং বিশেষ করে চার এবং পাঁচে আমি মনে করি যে এখানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কেউ কেউ হয়তোবা আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দলের প্রার্থীদেরকে জেতানোর জন্য স্পষ্ট সাহায্য করেছে বলে আমরা বিশ্বাস করি।
তিনি বলেন, আমাদের কাছে সেই ধরনের কিছু অভিযোগ সেইদিনই এসেছে এবং তার আগে পরেও আমরা কিছু অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি হচ্ছে যে এই ভোটার লিস্ট কারেকশন করা, আর তারপর নির্বাচনের প্রশ্নটি আসতে হবে আর কি। তাছাড়া তো একটা ফেয়ার নির্বাচন আমরা কিভাবে আশা করতে পারি।