বাসস
  ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৩:১৫

তেরখাদায় উন্নয়ন ও ন্যায্যতার অঙ্গীকার হেলালের

ছবি: বাসস

খুলনা, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (বাসস): খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় বিএনপির তথ্য সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, তিনি বিএনপির এমপি নন, তিনি তেরখাদা-দিঘলিয়া ও রুপসায় বসবাসকারী সকল মানুষের এমপি।

তিনি আরো বলেন, বিএনপি চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি  (হেলাল) তেরখাদায় ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠা করে রূপসা ও দিঘলিয়ায় তা ছড়িয়ে দিতে চান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ. বি. এম. সারোয়ার রাব্বীর সভাপতিত্বে আজ বুধবার দুপুরে তেরখাদা উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। 

সভায় উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা চত্বরে বনজ বৃক্ষ রোপণের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী কর্মসূচির সূচনা করেন আজিজুল বারী হেলাল। 

আজিজুল বারী হেলাল জানান, মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তার অবস্থান আপসহীন। অপরাধী যদি নিজের দলের কিংবা আত্মীয়ও হয়, তাকেও আইনের আওতায় আনতে হবে।
 
তবে কোনো নিরীহ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসনকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা শুধু সৌন্দর্যের বিষয় নয়, এটি জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলা বন্ধ করে প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ডাস্টবিন স্থাপন ও ব্যবহারে সবাইকে অভ্যস্ত করতে হবে। 

জলমহল ব্যবস্থাপনা নিয়ে হেলাল বলেন, স্বচ্ছ ও ন্যায্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও স্থানীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, যাতে প্রকৃত জেলেরা উপকৃত হয় এবং কোনো প্রভাবশালী গোষ্ঠী সুবিধা নিতে না পারে।

প্রশাসনিক সমন্বয় জোরদারের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কেন্দ্র থেকে প্রকল্প এনে তেরখাদাকে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে আন্তরিকতা ও সমন্বয়ের বিকল্প নেই।

খাল খনন প্রসঙ্গে হেলাল বলেন, তেরখাদায় বহু পরিত্যক্ত জমি ও ভরাট হয়ে যাওয়া খাল রয়েছে, যা পরিকল্পিতভাবে ব্যবহারে আনা গেলে কৃষি, মৎস্য ও পরিবেশ— তিন ক্ষেত্রেই বিপ্লব ঘটানো সম্ভব। খাল পুনঃখননের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন, সেচব্যবস্থা উন্নয়ন ও বর্ষাকালে পানি ধারণ ক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব উল্লেখ করে তিনি প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ খালের তালিকা প্রস্তুত করে পর্যায়ক্রমে প্রকল্প বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন।

বিকেল সাড়ে ৩টায় তিনি তেরখাদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন।

সেখানে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুজাহিদুল ইসলামের সঙ্গে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন এবং রোগীদের খোঁজখবর নেন।