বাসস
  ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৮:৫৬

নীলফামারীতে বেড়েছে সবজির সরবরাহ, কাঁচাবাজারে স্বস্তি 

ছবি : বাসস

ভুবন রায় নিখিল

নীলফামারী, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (বাসস): রমজানের শুরুতে কিছুটা অস্বস্তি থাকলেও সপ্তাহের ব্যবধানে জেলার কাঁচাবাজারে স্বস্তি ফিরে এসেছে। লেবু, পেঁয়াজ, মরিচ, রসুন, আলু, শসাসহ অন্যান্য কাঁচা শাক-সবজির দাম কমেছে।

আজ জেলা শহরের বড় বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, প্রতি কেজি পেঁয়াজ ২৫ টাকা, কাঁচা মরিচ ১০০ থেকে ১১০ টাকা, টমেটো ৩০ টাকা, আলু প্রকার ভেদে ৮ টাকা থেকে ১২ টাকা, রসুন ৭০ থেকে ৭৫ টাকা, গাজর ৩০ টাকা, সশা ৪০ থেকে ৪৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি হালি লেবু ৩৫ থেকে ৪০ টাকা এবং প্রতি পিস লাউ ২০ থেকে ৩০ টাকা দরে বিক্রি হয়। তবে বেগুন, করলা, ঢ্যাঁড়স ও সাজিনার দাম রয়েছে অস্বাভাবিক। সেখানে প্রতি কেজি বেগুন ৭০ থেকে ৮০ টাকা, করলা ১৭০ টাকা, সজিনা ২০০ টাকা এবং ঢ্যাঁড়স ১৮০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

জেলা শহরের বাসিন্দা সবজি ক্রেতা কারিমুল ইসলাম বাসসকে বলেন, ‘সপ্তাহের ব্যবধানেই কাঁচা বাজারে স্বস্তি ফিরে এসেছে। রোজার শুরুতে প্রতি হালি লেবু ৭০ টাকা, প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৪০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১২০ থেকে ১৪০ টাকা, টমেটো ৪০ টাকা, আলু প্রকার ভেদে ১৫ থেকে ২০ টাকা, রসুন ৮০ থেকে ৯০ টাকা, গাজর ৪০ টাকা, শসা ৬০ টাকা, প্রতি পিস, লাউ ৩০ থেকে ৪০ টাকা দরে বিক্রি হয়।’

সবজি ব্যবসায়ী মো. শাহজাহান আলী (৩৫) বলেন, ‘ কয়েকদিন আগে লেবু ৬০ থেকে ৭০ টাকা হালি বিক্রি করেছি। আজ সেই লেবু ৩০ থেকে ৪০ টাকা হালি দরে বিক্রি করছি। বাজারে আমদানি কম থাকায় বেশি দামে কিনে বিক্রি করতে হয়েছে। এখন আমদানি বেড়েছে, দামও কমেছে’।

পেঁয়াজ ব্যবসায়ী মো. নুরুন নবী (৪০) বলেন, ‘জেলার ডিমলা উপজেলার তিস্তা চরের পেঁয়াজ বাজারে পর্যাপ্ত পরিমাণ পেঁয়াজ আসা শুরু করেছে। অন্যান্য সবজির আমদানিও বেড়েছে। এ কারণে দাম কমেছে।’

জেলা কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মাঠ ও বাজার পরিদর্শক এটিএম এরশাদ আলম খাঁন বলেন, ‘বাজারে সব নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক আছে। সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ায় পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ, লেবু ও শসার দাম কমেছে। বেগুন, মুরগি ও গরুর মাংসের দাম না কমলেও বাড়েনি। আমরা বাজার তদারকি করছি, ব্যবসায়ীদের বলছি অযৌক্তিকভাবে দাম না বাড়াতে পুরো রমজান মাসজুড়ে বাজার নিয়ন্ত্রণে তদারকি অব্যাহত থাকবে’।