শিরোনাম

ভোলা, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (বাসস) : ‘আমিষেই শক্তি’ ‘আমিষেই মুক্তি’ এ প্রতিপাদ্যে ভোলায় সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মুরগির মাংস বিক্রয় কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ ও জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গতকাল মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) থেকে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে আমিষজাতীয় খাদ্যপণ্য সরবরাহ নিশ্চিতে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. বেলাল হোসেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, ভোলা জেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম,ভোলা সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শাহীন মাহমুদ, ভোলা জেলা ডেইরি ফার্ম অ্যাসোসিয়েশন এর সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল হাসান খোকন, খামারি বিপ্লবসহ আরো খামারিরা।
এ কর্মসূচি পুরো রমজান মাস ধরে চলমান থাকবে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।
এসময় জেলা প্রশাসক বলেন, প্রান্তিক মানুষের জীবন মান সহজ করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার যে উদ্যোগ নিয়েছে তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এ কার্যক্রমের অংশ হিসাবে ভোলাতে ভ্রামমাণ ভ্যানের মাধ্যমে সুলভ মূল্যে দুই লাখ পিচ ডিম, দুই হাজার কেজি মুরগির মাংস ও দুই হাজার লিটার দুধ সুলভ মূল্যে প্রান্তিক মানুষের মাঝে বিক্রি করা হবে। এর মাধ্যমে বাজারের উপরে চাপ কমে আসবে। এতে সকল শ্রেনির মানুষ আমিষের চাহিদা পূরণ করতে পারবে।
ভোলা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম আজ সকালে বাসসকে জানান, রমজান মাসজুড়ে নির্ধারিত স্থানে এই সুলভ মূল্যের বিক্রয় কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এর মাধ্যমে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাড়তি চাপ কিছুটা হলেও লাঘব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আজ বুধবার সরেজমিন প্রাণিসম্পদ দপ্তরের বিক্রয় কেন্দ্রে দেখা গেছে, সকাল থেকেই সেখানে সুবিধাভোগী ক্রেতাদের ভিড়। অসংখ্য নারী-পুরুষ সেখান থেকে ন্যায্যমূল্যে সরকার নির্ধারিত মূল্য পণ্য কিনে নিচ্ছেন।
ন্যায্যমূল্যে পণ্য ক্রয় করতে আসা আবুল খায়ের, বশির আহমেদ, বাদল মিয়া, সেলিনা বেগম, সারমিন সুলতানা ও সিরাজুল ইসলামের সাথে কথা হয়। তাদের সকলের মুখে একই সুর। তারা বলেন, সারা বছরব্যাপী সরকার এমন সূলভমূল্যের পণ্য বিক্রি করলে মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসবে। প্রান্তিক জনপদেও এমন আয়োজনের দাবি সকলের।