শিরোনাম

ঢাকা, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (বাসস): তুরস্কের ইস্তাম্বুলে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ‘শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬’ পালন করেছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও অর্ধনমিতকরণের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা করা হয়। পরে কনস্যুলেট জেনারেল প্রাঙ্গণে অস্থায়ী শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এরপর দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। কুরআন তিলাওয়াত এবং ভাষা শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালনের পর দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়।
পাশাপাশি এ উপলক্ষ্যে ইউনেস্কোর সাধারণ পরিষদের প্রদত্ত ভিডিও বার্তাও প্রদর্শন করা হয়।
আলোচনা সভায় মূল বক্তব্যে কনসাল জেনারেল বলেন, ভাষা আন্দোলন মূলত ছিল একটি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন। এর ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ ও ২০২৪ সালেও বাংলাদেশের জনগণ বৈষম্যের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে সফলতা অর্জন করেছে। তিনি প্রবাস প্রজন্মের মধ্যে বাংলা ভাষা শিক্ষার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ, বাংলা ভাষার উৎকর্ষ সাধনে গবেষণা ও চর্চা জোরদার এবং এ দিবস পালনে প্রবাসীদের পাশাপাশি স্বাগতিক দেশের শিক্ষার্থী, সাধারণ জনগণ ও কূটনীতিকদের সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানের শেষে ১৯৫২ সালের সকল ভাষা শহীদের রুহের মাগফেরাত এবং বাংলাদেশের জনগণের সর্বাঙ্গীণ সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। অনুষ্ঠানে ইস্তাম্বুলে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি বিভিন্ন পেশাজীবী, কনস্যুলেট জেনারেলের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং তাদের পরিবারবর্গ উপস্থিত ছিলেন।