শিরোনাম

ঢাকা, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে কারাবন্দি স্থানান্তর সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) দ্রুত সম্পাদন ও বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে উভয় দেশ।
এই চুক্তি কার্যকর হলে মালদ্বীপে কারাবন্দি বাংলাদেশিরা দেশে ফেরার সুযোগ পাবেন, যা মানবিক ও প্রাতিষ্ঠানিক উভয় দিক থেকেই ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম ও মালদ্বীপের কারাবিভাগের কমিশনার হাসান জারীর-এর মধ্যে অনুষ্ঠিত এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকটি সম্প্রতি মালদ্বীপ কারেকশনাল সার্ভিসের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়।
আজ বুধবার মালদ্বীপে বাংলাদেশ হাইকমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বৈঠকে হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘প্রস্তাবিত সমঝোতা স্মারকটি কার্যকর হলে কারাবন্দিদের কল্যাণ নিশ্চিত হবে। একই সাথে তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ সহজতর হবে। পাশাপাশি এটি বিদেশি কারাবন্দিদের রক্ষণাবেক্ষণে মালদ্বীপ সরকারের আর্থিক ও প্রশাসনিক চাপ হ্রাসেও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে।
এসময় মালদ্বীপের কারাবিভাগের কমিশনার হাসান জারীর কারা প্রশাসনে ভাষাগত চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করেন এবং মালদ্বীপের কারা কর্মকর্তাদের জন্য বাংলা ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম চালুর আগ্রহ প্রকাশ করেন। এছাড়া তিনি মালদ্বীপের কারা কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশে প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা উন্নয়ন কর্মসূচি আয়োজনের প্রস্তাব দেন।
হাইকমিশনার জানান, প্রবাসী বাংলাদেশিরা যাতে স্থানীয় আইন মেনে চলে এবং আইনি জটিলতা এড়াতে পারে, সেজন্য বাংলাদেশ হাইকমিশন নিয়মিত সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। মালদ্বীপ সরকার এ বিষয়ে যে সহযোগিতা প্রদান করছে, সেজন্য তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
সাক্ষাৎকালে কারাবিভাগের কমিশনার বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সম্পর্ককে ভ্রাতৃত্বপূর্ণ বন্ধনের প্রতীক হিসেবে অভিহিত করেন। উভয় পক্ষই কারা প্রশাসনের পাশাপাশি অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক ও বাণিজ্যিক খাতেও সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে একমত পোষণ করেন।