শিরোনাম

চট্টগ্রাম, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : আপসহীন দেশনেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সংগ্রামী ও কর্মময় জীবন নিয়ে চট্টগ্রামে দুই দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনী শুরু হয়েছে।
আজ শনিবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমির মুক্তমঞ্চ প্রাঙ্গণে বগুড়া মিডিয়া অ্যান্ড কালচারাল সোসাইটি-ঢাকার আয়োজনে এ প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন উপস্থিত অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে আলোকচিত্র প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন এবং শোক বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
বক্তব্যে ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আপসহীন নেতৃত্বের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। তাঁর সংগ্রামী জীবন নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক ও চট্টগ্রাম-৯ আসনে বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান বলেন, একজন সাধারণ গৃহবধূ থেকে তিনবারের প্রধানমন্ত্রী হয়ে ওঠার পথটি ছিল কণ্টকাকীর্ণ সংগ্রামের। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসের সঙ্গে অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িত।
আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে সাধারণ একজন গৃহবধূ থেকে রাজনীতির মঞ্চে প্রবেশ করে তিনবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালনকারী বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘ সংগ্রামী জীবন ও রাজনৈতিক পথচলার নানা অধ্যায় তুলে ধরা হয়েছে।
এছাড়া তাঁর পারিবারিক ও রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন সময়ের শতাধিক দুর্লভ স্থিরচিত্র প্রদর্শনের পাশাপাশি জীবন ও রাজনৈতিক সংগ্রামভিত্তিক বিশেষ ডকুমেন্টারিও প্রদর্শিত হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বগুড়া মিডিয়া অ্যান্ড কালচারাল সোসাইটির নির্বাহী সদস্য অরণ্য পাশা, চট্টগ্রাম মহানগর জাসাসের সদস্য সচিব মামুনুর রশিদ শিপন, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সদস্য সচিব শরিফুল ইসলাম তুহিন। এছাড়া বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, বগুড়া মিডিয়া অ্যান্ড কালচারাল সোসাইটি প্রথম পর্যায়ে বেগম খালেদা জিয়ার জীবনের সঙ্গে সম্পৃক্ত দেশের ১২টি জেলায় এ আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে।
আয়োজকরা জানান, এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের কাছে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জীবন, সংগ্রাম ও রাজনৈতিক অবদান তুলে ধরাই তাদের মূল লক্ষ্য।