বাসস
  ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ২১:৪৩

কেনাকাটায় স্বচ্ছতা নিশ্চিতে মাউশির ‘কৌশলগত ক্রয় ইউনিট’ গঠন

ঢাকা, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : সরকারি ক্রয় কার্যক্রমকে আরও দক্ষ, স্বচ্ছ এবং জবাবদিহিমূলক করার লক্ষ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) একটি ‘কৌশলগত ক্রয় ইউনিট’ গঠন করেছে।

পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ১৫২ (১) অনুযায়ী এ ইউনিট গঠন করা হয়েছে।

আজ মাউশির ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

মাউশির মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর বি.এম. আব্দুল হান্নান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে বলা হয়েছে, সরকারি কেনাকাটার কৌশল প্রণয়ন, বাস্তবায়ন এবং বিভিন্ন পর্যায়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা ও পরামর্শ প্রদানের জন্য এই ইউনিট কাজ করবে।

মাউশির পরিচালক প্রফেসর মোহাম্মদ মনির হোসেন পাটওয়ারীকে আহ্বায়ক এবং উপ-পরিচালক (বাজেট) মো. তৈয়বুর রহমানকে সদস্য সচিব করে সাত সদস্যের এই ইউনিট গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন— সহকারী পরিচালক (বাজেট) মো. জাহাঙ্গীর আলম, সহকারী পরিচালক-২ মুহাম্মাদ মশিউর রহমান, সহকারী পরিচালক-৩ সেলিনা আক্তার, প্রকিউরমেন্ট অফিসার-২ সুলতানা ইসরাত জাহান এবং গবেষণা কর্মকর্তা খান মাহমুদ মোর্শেদ।

কার্যপরিধি ও দায়িত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে, এই ইউনিটের জন্য ১৯ দফা কার্যপরিধি নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—

১. অধিদপ্তরের আওতাধীন সকল প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক ক্রয় পরিকল্পনা (এপিপি) প্রণয়ন ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ।

২. ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (ই-জিপি) পদ্ধতিতে ক্রয় কার্যক্রম পরিচালনায় কারিগরি ও প্রক্রিয়াগত সহায়তা প্রদান।

৩. দরপত্র আহ্বান, মূল্যায়ন ও চুক্তি ব্যবস্থাপনায় মানসম্মত প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা।

৪. ক্রয় সংক্রান্ত ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ এবং তা প্রশমনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ।

৫. ক্রয় কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করে সরকারি অর্থের সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করা।

৬. সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার আয়োজন।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হওয়া নতুন পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা অনুযায়ী এই ‘কৌশলগত ক্রয় ইউনিট’ গঠন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এ আদেশের ফলে মাউশির অধীনস্থ সকল আঞ্চলিক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কেনাকাটায় আরও পেশাদারিত্ব নিশ্চিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।