শিরোনাম

ঢাকা, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস): মালদ্বীপ ও বাংলাদেশের মধ্যে উচ্চশিক্ষা, গবেষণা এবং সাংস্কৃতিক সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে মালদ্বীপ ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (এমএনইউ) ভাইস চ্যান্সেলর ড. আইশাথ শেহনাজ আদামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নজমুল ইসলাম।
বৈঠকে মালদ্বীপের পর্যটন খাতের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে বাংলা ভাষা কোর্স চালুর বিষয়ে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে।
সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে এমএনইউ-এর প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর, বিভিন্ন অনুষদের ডিন এবং একাডেমিক প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন। আজ রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বৈঠকে হাইকমিশনার ড. নজমুল ইসলাম বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে এমএনইউ-এর প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ স্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি), বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি) এবং বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির (বিএমইউ) সাথে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। এই প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে হাইকমিশন সর্বাত্মক সহায়তা প্রদান করবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
ভাইস চ্যান্সেলর ড. আইশাথ শেহনাজ আদাম বাংলাদেশ থেকে স্বল্পমেয়াদি অতিথি শিক্ষক আমন্ত্রণ এবং বিশেষজ্ঞ প্রশিক্ষক নেওয়ার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, এমএনইউ-এর আওতাভুক্ত ২১টি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে যৌথ সেমিনার, আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।
বৈঠকে মালদ্বীপে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশি শ্রমিকদের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা হয়।
ভাইস চ্যান্সেলর জানান, বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রবাসীদের সমস্যা নিয়ে গবেষণা পরিচালনা করেছে, যেখানে দেখা গেছে অনেক প্রবাসী আইনি ও অন্যান্য সহায়তার পথ সম্পর্কে অবগত নন। এ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে দুই দেশ যৌথভাবে কাজ করতে পারে বলে তিনি মত দেন।
হাইকমিশনার এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে প্রবাসীদের সামাজিক অন্তর্ভুক্তি ও স্বাস্থ্য-কল্যাণ বিষয়ে যৌথ গবেষণায় পূর্ণ সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেন।
শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীদের অংশগ্রহণের বিষয়েও আলোচনা হয়।
হাইকমিশনার বলেন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময় এবং এক্সপোজার প্রোগ্রামের মাধ্যমে দুই দেশের জনগণের মধ্যকার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।