বাসস
  ০৩ জানুয়ারি ২০২৬, ২০:২৩

তারেক রহমান, মির্জা ফখরুল ও নাহিদ ইসলামের মনোনয়ন বৈধ

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। কোলাজ : বাসস

ঢাকা, ৩ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : আসন্ন সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কয়েকজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে। তবে কিছু মনোনয়ন বাতিল বা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বগুড়া-৬ (সদর) ও ঢাকা-১৭ আসনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

বগুড়া জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. তৌফিকুর রহমান জানান, তারেক রহমানের মনোনয়নপত্র বৈধ রয়েছে।

ঢাকা-১৭ আসনে বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শরাফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী জানান, জমা পড়া ১৭টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ১০টি গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে তারেক রহমান ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এস এম খালিদুজ্জামানের মনোনয়নও রয়েছে। বিভিন্ন কারণে সাতটি মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

যাচাই-বাছাইয়ের সময় তারেক রহমানের পক্ষে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের মনোনয়নও বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ইরশাত ফারজানা জানান, জামায়াতে ইসলামীর দেলোয়ার হোসেন এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের খাদেমুল ইসলামের মনোনয়নও গ্রহণ করা হয়েছে।

ঠাকুরগাঁও জেলার তিনটি আসনে জমা পড়া ২১টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে একটি বাতিল করা হয়েছে এবং তিনটি স্থগিত রয়েছে। ঠাকুরগাঁও-২ ও ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে যাচাই-বাছাই কার্যক্রম এখনও চলমান।

ঢাকাু১১ আসনে ১২ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং বিএনপির প্রার্থী ডা. এম এ কাইয়ুমের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। ঢাকা-১১ আসনে রামপুরা, বাড্ডা ও ভাটারা এলাকা অন্তর্ভুক্ত।

এদিকে, ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক এনসিপি নেতা তাসনিম জারার মনোনয়ন ভোটার স্বাক্ষরে অসঙ্গতির কারণে বাতিল করা হয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, দৈবচয়ন পদ্ধতিতে যাচাই করা ১০ জন স্বাক্ষরদাতার মধ্যে দুজন ঢাকা-৯ আসনের ভোটার নন বলে পাওয়া গেছে।

তাসনিম জারা বলেন, বিষয়টি ভোটার এলাকার বিভ্রান্তি থেকে সৃষ্টি হয়েছে এবং তিনি এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করবেন বলে জানান।

এ ছাড়া, চট্টগ্রাম-৫ আসনের প্রার্থী ও জাতীয় পার্টির একটি অংশের সভাপতি আনিসুল ইসলাম মামুদের মনোনয়ন অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে। কারণ, তার দলীয় মনোনয়নপত্রে দেওয়া স্বাক্ষর সরকারি নথিতে সংরক্ষিত স্বাক্ষরের সঙ্গে মিলেনি।

নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্রের যাচাই-বাছাই কার্যক্রম আগামীকাল পর্যন্ত চলবে।