শিরোনাম

খুলনা, ২ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় সারাদেশের মতো খুলনা মহানগরীর পাঁচটি থানা এবং ৩৪টি ওয়ার্ড ও ইউনিয়নের প্রতিটি মসজিদে জুমার নামাজ শেষে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
আজ শুক্রবার বাদ জুমা খুলনার ঐতিহ্যবাহী টাউন মসজিদে এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে খুলনা মহানগর বিএনপি। দোয়া মাহফিলে বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও দেশবাসীর জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
দোয়ার আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি এডভোকেট শফিকুল আলম মনা বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালের পর জানাজাতে যে গণমানুষের ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও আবেগের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে-তা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিরল। এই ভালোবাসাই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে আরও ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী করবে।
তিনি আরও বলেন, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান যে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শন প্রতিষ্ঠা করে গেছেন, সেই আদর্শের পতাকা দীর্ঘদিন ধরে বহন করেছেন বেগম খালেদা জিয়া। আজ সেই পতাকা তারেক রহমানের হাতে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তিনি দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় নেতৃত্ব দেবেন- এটাই মানুষের প্রত্যাশা।
খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন বলেন, নীতির প্রশ্নে, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে বেগম খালেদা জিয়া কখনো আপস করেননি। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি সারাজীবন সংগ্রাম করেছেন, লড়াই করেছেন এবং বারবার কারাবরণ করেছেন।
তিনি বলেন, জীবনের শেষ সময়ে গুরুতর অসুস্থ থাকা সত্ত্বেও তিনি দেশ ছেড়ে যাননি। দেশের মাটি, মানুষ ও সার্বভৌমত্বের প্রতি তার গভীর ভালোবাসাই আজ সাধারণ মানুষকে আবেগাপ্লুত করেছে।
দোয়া মাহফিলে আরও উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ পারভেজ বাবু, মোল্লা ফরিদ আহমেদ, নাসির উদ্দীন, আব্দুর রশিদ, আশরাফুল ইসলাম নূর, আশরাফুল আলম নান্নু, সজীব তালুকদার, ইশতিয়াক আহমেদ ইস্তি, কাজী জলিল, রকিবুল ইসলাম মতি, এড. মশিউর রহমান নান্নু, নাজমুস সাকিবসহ মহানগর বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এদিকে বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় খুলনা মহানগরীর পাঁচটি থানা ও ৩৪টি ওয়ার্ড ইউনিয়নের প্রতিটি মসজিদে জুমার নামাজ শেষে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এসব দোয়ায় মসজিদের মুসল্লি ও সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।