বাসস
  ০১ জানুয়ারি ২০২৬, ২১:৫৯

সিলেটে বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৬

ছবি: সংগৃহীত

সিলেট, ১ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : সিলেটে বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। শহর থেকে গ্রাম সর্বত্র জেঁকে বসেছে শীত। হাড়কাঁপানো শীতে মানুষ ঘর থেকে বের হতে না পেরে বিপাকে পড়েছেন। নিম্ন আয়ের ও শ্রমিক শ্রেণির মানুষের দুর্ভোগ এতে আরও বেড়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর সিলেটের কর্মকর্তা রুদ্র তালুকদার জানিয়েছেন, আজ সিলেটে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। সারাদিন সূর্যের দেখা মিলেনি। তবে, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েছে। এর আগে বুধবার ১২ দশমিক ৫, মঙ্গলবার ১৪ এবং সোমবার ১৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।

শীতের তীব্রতায় সিলেট ও মৌলভীবাজারের চা বাগান শ্রমিক এবং নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষেরা সবচেয়ে কষ্টে আছেন। ঘন কুয়াশা থাকায় শীতের তীব্রতা অনেক বেশি অনুভূত হচ্ছে।

যদিও তীব্র শীত উপেক্ষা করে সকাল থেকেই কাজে বের হয়েছেন সাধারণ মানুষ। কষ্ট সহ্য করে দিনমজুর, নির্মাণ শ্রমিক ও খেটে খাওয়া মানুষ ঘর থেকে বেরিয়েছেন, যাদের বেশির ভাগকেই খোলা আকাশের নিচে কাজ করতে হয়। জেলায় প্রত্যন্ত এলাকায় রাতে ও সকালে ঠান্ডার কারণে গ্রামগঞ্জের মানুষ কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন নিম্ন আয়ের মানুষগুলো। এই অবস্থায় সিলেট নগরের ফুটপাতে নিম্ন আয়ের মানুষের শীতের গরম কাপড় কিনার ধুম লেগেছে।

অপরদিকে শীতের তীব্রতা বাড়ায় হাসপাতালগুলোর বহির্বিভাগে ও উপজেলার হাসপাতালগুলোতে প্রতিদিন শীতজনিত রোগীর ভিড় বাড়ছে। হাসপাতালে প্রতিদিন শিশু, বৃদ্ধ, নারী ও পুরুষ রোগীরা চিকিৎসা নিচ্ছেন।

শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমান বলেন, কয়েকদিন পর আজ তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় মৃদু শৈত্য বয়ে যাচ্ছে। আজ সকাল ৬টায় শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশের অনেক জায়গায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে।