বাসস
  ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:৩১
আপডেট : ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:৪২

হাদী ও এরশাদের উপর হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে: মিনু

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদী এবং চট্টগ্রামে বিএনপি নেতা এরশাদ উল্লাহর উপর হামলার প্রতিবাদে শনিবার বিকেলে প্রতিবাদ মিছিল করে রাজশাহী মহানগর বিএনপি । ছবি: বাসস

রাজশাহী, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ (বাসস) : ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র জুলাই যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদী ও চট্টগ্রামের বিএনপি নেতা এরশাদ উল্লাহর উপর হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। যাতে ভবিষ্যতে আর কেউ এ ধরণের ন্যাক্কারজনক হামলা করার সাহস না পায়। 

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার অন্যতম উপদেষ্টা ও রাজশাহী-২ (সদর) আসনে মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু এসব কথা বলেছেন।

ওসমান হাদী ও এরশাদ উল্লাহর উপর হামলার প্রতিবাদে গতকাল শনিবার বিকেলে নগরীর বাটার মোড়ে রাজশাহী মহানগর বিএনপি আয়োজিত প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রাজশাহী সিটির সাবেক এ মেয়র বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা কোনো হামলা-মামলাকে ভয় পায় না। দীর্ঘ ১৭ বছর তারা হামলা-মামলা ও নির্যাতন উপেক্ষা করে আন্দোলন সংগ্রাম করেছে। পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে নির্বাচন বানচালের যে অপচেষ্টা চালাচ্ছে তা কখনোই বাস্তবায়ন হবে না। জিয়ার সৈনিকেরা অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে রাজপথে ছিল, আছে ও থাকবে।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে মিনু বলেন, ৫ আগস্টের মামলায় যারা কারাগারে গিয়ে জামিনে বাইরে বের হয়ে এসেছে তাদের উপর নজর রাখুন। তারা কি করছে? যদি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানান। প্রয়োজনে মহানগর বিএনপির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ও আমাকেও জানান। আমরা কাউকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করার সুযোগ দেবো না। আমরা ওসমান হাদীর দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।

রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুনুর রশীদ মামুন সভাপতির বক্তব্যে বলেন, তফসিল ঘোষণার পরপরই হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। একটি চক্র অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করে নির্বাচন বানচাল করতে চায়। আমরা বিএনপি নেতাকর্মীরা কোনোভাবেই সেই সুযোগ দিবো না।

রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, শরিফ ওসমান হাদী ও বিএনপি নেতা এরশাদ উল্লাহর উপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার দাবি জানাচ্ছি।

প্রতিবাদ সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন, রাজশাহী মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রবি, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান জনি, মহিলাদলের কেন্দ্রীয় নেত্রী রোকসানা পারভিন টুকটুকি, রাজশাহী মহানগর মহিলাদলের সাধারণ সম্পাদক সখিনা খাতুন ও ছাত্রদল নেতা এমদাদুল হক লিমন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক এড. এরশাদ আলী ঈশা, সহ-সভাপতি আসলাম সরকার, আবুল কালাম আজাদ সুইট, আলী আশরাফ মাসুম, এড. ওয়ালিউল হক রানা, সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল আলম মিলু ও বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। 

প্রতিবাদ সমাবেশ শেষে বাটার মোড় থেকে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি নগরের মালেপাড়া, সোনাদিঘির মোড়, মনিচত্বর, সাহেব বাজার, জিরো পয়েন্ট ও  গনকপাড়াও হয়ে আবার বাটার মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে রাজশাহী মহানগর বিএনপির অধীনস্থ বিভিন্ন থানা এবং ওয়ার্ডের বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।