BSS-BNhrch_cat_news-24-5
বাসস
  ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৩৮
আপডেট  : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:১৩

পিরোজপুর জেলা হাসপাতাল নির্মাণে ১১ কোটি টাকা বরাদ্দ  

পিরোজপুর, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১ (বাসস) : জেলা শহর পিরোজপুরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত ২শত ৫০ শয্যার জেলা হাসপাতাল এর নির্মাণ কাজ সম্পন্নের লক্ষ্যে আরও ১১ কোটি টাকা বরাদ্দ এসেছে। এ নিয়ে নির্মাণাধীন এ হাসপাতালটির মোট বরাদ্দের পরিমাণ দাাঁড়িয়েছে ৫৬ কোটি টাকা। প্রাথমিকভাবে নির্দিষ্ট করা ৭ম তলা পর্যন্ত নির্মাণ কাজের ৭৫% ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। এজন্য বরাদ্দ ছিল ৪৫ কোটি টাকা। সম্প্রতি ৮ ও ৯ম তলার কাজ সম্পন্নের জন্য ১১ কোটি টাকা নতুন করে বরাদ্দ এসেছে।
 ৭ম তলা পর্যন্ত নির্মাণ কাজ ২০২১ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং দ্রুত গতিতে কাজ চলছে।
এ ভবনের বেসমেন্ট এ ৩৫টি গাড়ী ও ষ্টোর থাকবে। প্রথম তলায় জরুরী ও বর্হিবিভাগ এবং রেডিওলজি বিভাগ থাকবে। ২য় তলায় থাকবে প্রশাসনিক অফিস ও বর্হিবিভাগ। ৩য় থেকে ৬ষ্ট তলায় থাকছে পুরুষ ও মহিলা ওয়ার্ড ও অপারেশন থিয়েটার। ৭ম তলায় থাকবে কেবিন। মুক্তিযোদ্ধা এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য দুটি করে মোট চারটি কেবিন রিজার্ভ থাকবে। এছাড়া ২টি ভিআইপি কেবিনসহ মোট ১৮টি কেবিন থাকবে। ৮ম তলায় ১০ বেডের একটি আইসিইউ এবং ৯ম তলায় আইসোলেশন সেন্টার, ভিআইপি কেবিন ও ভিআইপি ওয়ার্ড থাকবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ২০০৯ সালে সরকার গঠন করে পিরোজপুরের ৫০ শয্যার হাসপাতালটিকে ১শত শয্যায় উন্নীত করেছে এবং সেখান থেকে এ হাসপাতালটিকে ২শত ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে উন্নীত করে ১২ তলা বিশিষ্ট ভবন নির্মাণ এর উদ্যোগ নেয়। হাসপাতালের নতুন ভবন নির্মাণের জন্য অর্থ বরাদ্দ দিয়ে ঠিকাদার নিয়োগ করে কার্যাদেশ দেয়ায় নির্মাণ কাজ শেষ করার লক্ষ্যে করোনাকালেও কাজ বন্ধ থাকেনি। গণপূর্ত অধিদপ্তরের পিরোজপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী এস.এম. তৌহিদুল ইসলাম জানান,এ হাসপাতালটি নির্মাণে কোন ধরনের অনৈতিক কর্মকান্ডকে প্রশ্রয় দেয়া হচ্ছে না। ৮ম ও ৯ম তলার জন্য ১১ কোটি টাকার বরাদ্দের পাশাপাশি ১০ ও ১১তম তলার জন্য আরো অর্থ বরাদ্দ আসার সম্ভাবনা রয়েছে। শহরের কেন্দ্রস্থলে ২শত ৫০ শয্যার এ হাসপাতাল ভবনটির নির্মাণ কাজ শেষ করে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলেও নির্বাহী প্রকৌশলী জানান। এদিকে ৭ম তলা পর্যন্ত নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে দেখে অনেকে আনন্দিত হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য রিজার্ভ কেবিন থাকবে শুনে অসুস্থ বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুন-অর রশিদ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি আরও বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার যা-যা করেছে তা সত্যিকার অর্থেই প্রতিটি মুক্তিযোদ্ধাকে একইসাথে স্বচ্ছল, সম্মানিত, সমাজে মর্যাদার সাথে প্রতিষ্ঠিত করেছে। পিরোজপুরের সিভিল সার্জন হাসনাত ইউসুফ জাকী জানান,এ ভবনটি গণপূর্ত অধিদপ্তর স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে হস্তান্তর করলে আমরা কালবিলম্ব না করেই এখানে হাসপাতালের সকল কার্যক্রম চালু করব। এর ফলে সেবা নিতে আসা এলাকার মানুষ স্বস্তি ফিরে পাবে এবং উপকৃত হবে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বেটা ভার্সন