BSS-BNhrch_cat_news-24-5
বাসস
  ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৫:০৫
আপডেট  : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৫:০৯

বাংলাদেশ পদক্ষেপ গ্রহণের আগে আফগান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে : পররাষ্ট্র মন্ত্রী

নিউইয়র্ক, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২১ (বাসস) : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন এখানে বলেছেন, ঢাকা নব গঠিত তালেবান সরকারের সাথে সম্পর্কের ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ গ্রহণের আগে আফগানিস্তানের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখলেও ‘ইউএন আমব্রেলার’ আওতায় আফগান জনগণকে মানবিক সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সোমবার স্থানীয় সময় নিউইয়র্কে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি বলেন, ‘আমরা সেখানের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।’ আফগানিস্তান প্রশ্নে বাংলাদেশের অবস্থানের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি এমন কথা বলেন। সপ্তাহব্যাপী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের আজকের আলোচনার শুরুতে বিষয়টি ব্যাপকভাবে গুরুত্ব পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মোমেন বলেন, আফগানিস্তানের নতুন সরকারের ধরন পর্যবেক্ষণে এবং তারা কি ধরনের নীতিমালা গ্রহণ করে তা দেখতে ঢাকা সময় নেয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে এবং ‘এক্ষেত্রে তাদের পদক্ষেপের ওপর ভিত্তি করে আমরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবো আমরা কি করবো।’
তবে তিনি বলেন, ঢাকা জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের এক আহ্বানে সাড়া দিয়ে ওষুধের মতো আরো অনেক সামগ্রি পাঠিয়ে আফগান জনগণকে মানবিক সহায়তা দেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, কেবলমাত্র তিন জন ছাড়া আর কোন বাংলাদেশি নাগরিক আফগানিস্তানে আটকা পড়েনি। ‘আমাদের জন্য এটি হচ্ছে একটি বড় স্বস্তির বিষয়।’
তিনি আরো বলেন, এ তিন জন ব্যক্তিগত কারণে স্বেচ্ছায় আফগানিস্তানে থেকে যান এবং এদের মধ্যে একজন এক আফগান নারীকে বিয়ে করেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, ‘আফগানিস্তানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ায় ঢাকা একটি নির্দেশনা জারি করার পর সেখানে থাকা বাংলাদেশিরা দেশটি ছাড়েন।’
তিনি বলেন, আফগানিস্তানের সাথে বাংলাদেশের কোন শত্রুতা ছিল না, বরং তাদের সাথে ঐতিহাসিক বন্ধন ছিল। ঢাকা এখন আশা করে কাবুল সরকার ‘অন্তর্ভূক্তকরণ ও প্রগতিশীল হবে।’
মোমেন বলেন, ‘নতুন আফগান সরকার তাদের দেশের জনগণকে প্রকৃতপক্ষে সহায়তা করলে নিশ্চিতভাবে আমরা তাদের সমর্থন করবো।’
এ ছাড়া তিনি স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন যে সম্প্রতি কতিপয় বাংলাদেশি নাগরিক আফগানিস্তানে যায় এবং সেখান থেকে ফিরে জঙ্গি কর্মকা- শুরু করে। তিনি আশা করেন দেশটি কোন ধরনের জঙ্গিবাদের ঘাঁটি হবে না।
পররাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, ‘যে কোন ধরনের জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টোলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করে আমরা বাংলাদেশ থেকে জঙ্গি নির্মূল করেছি। বাংলাদেশের মাটিতে আমরা তাদের বরদাস্ত করবো না।’
 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বেটা ভার্সন