শিরোনাম

সংসদ ভবন, ১৮ জুন, ২০২৬ (বাসস): কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, শস্য বহুমুখীকরণ কর্মসূচির আওতায় উচ্চমূল্য ও পুষ্টিকর শস্যের উৎপাদন বৃদ্ধি, উন্নত প্রযুক্তি ও বীজ বিতরণ, কৃষক প্রশিক্ষণ এবং সচেতনতা বৃদ্ধির বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এর ফলে দেশে একক ফসল চাষের প্রবণতা কমে বহু-ফসল চাষের নিবিড়তা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ফল ও সবজির উৎপাদনও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
তিনি আজ সংসদে সরকারি দলের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির টেবিলে উপস্থাপিত এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশের কৃষিকে অধিক লাভজনক, পুষ্টিসমৃদ্ধ এবং জলবায়ু সহনশীল করতে শস্য বহুমুখীকরণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। উপকূলীয় লবণাক্ত অঞ্চল, বরেন্দ্র অঞ্চল, হাওর এলাকা ও পাহাড়ি অঞ্চলসহ দেশের প্রায় সব জেলা ও উপজেলায় এ কর্মসূচির কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
তিনি জানান, বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তি, উন্নতমানের বীজ এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি পুষ্টিসমৃদ্ধ ও উচ্চমূল্যের ফসল চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করা হচ্ছে, যাতে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি কৃষকের আয়ও বাড়ে।
মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, শস্য বহুমুখীকরণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে জামালপুর সদর উপজেলায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে স্মলহোল্ডার এগ্রিকালচারাল কম্পিটিটিভনেস প্রজেক্ট (এসএসিপি), প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনারশিপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার) প্রকল্প, কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারকরণ প্রকল্প, বাংলাদেশের চর এলাকায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্প এবং বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের ফসলের নিবিড়তা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্প।
তিনি বলেন, এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে কৃষিতে বহুমুখীকরণ বাড়ছে, নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারিত হচ্ছে এবং খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ইতিবাচক অগ্রগতি অর্জিত হচ্ছে।