শিরোনাম

সংসদ ভবন, ১৫ জুন, ২০২৬ (বাসস): সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, সড়ক-মহাসড়কে দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা হ্রাস করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আজ কুমিল্লা-৯ আসনের সরকার দলীয় সদস্য মো. আবুল কালামের টেবিলে উত্থাপিত লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানিয়েছেন।
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী জানান, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ এর ধারা-৪৪-এর উপধারা-১ এবং সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২ এর বিধি-১২৫-এর উপবিধি-৪ এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) কর্তৃক গত ৭ মে, ২০২৪ তারিখে সড়ক/মহাসড়কে মোটরযানের সর্বোচ্চ গতিসীমা নির্ধারণ, নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনার নিমিত্ত "মোটরযান গতিসীমা নির্দেশিকা, ২০২৪" জারি করা হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, সড়ক-মহাসড়কে গতিসীমা মনিটরিং এর নিমিত্ত সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর কর্তৃক গৃহীত ব্যবস্থাসমূহ: স্পীড লিমিট ও ট্রাফিক সাইন স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ করা।
ট্রাফিক কালমিং (Traffic calming) ব্যবস্থা যেমন রামবেল স্ট্রিপ (Rumble Strip), স্পীড কন্টোল জোন, সার্ভিস লেন, মিডিয়ান ও চ্যানেলাইজেশন গ্রহণ।
মহাসড়কে আইটিএস প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে গতিসীমা লঙ্ঘনকারী যানবাহন সনাক্তকরণ এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ।
অন্যান্য সংস্থা বিআরটিএ, পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয়পূর্বক গতিসীমা বাস্তবায়ন করা।সড়কের ধরন ও এলাকা বিবেচনাপূর্বক উপযুক্ত গতিসীমা নির্ধারণে সুপারিশ প্রদান।
রোড সেফটি অডি ও ট্রাফিক মনিটরিং পরিচালনার মাধ্যমে ব্লাক স্পট শনাক্ত করা, অতিরিক্ত গতির কারণে ঝুকিপূর্ণ অংশ বিশ্লেষণ করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী গতিনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণ।