বাসস
  ১১ জুন ২০২৬, ১৬:২৯
আপডেট : ১১ জুন ২০২৬, ১৬:৩২

স্থানীয় সরকার ও গ্রামীণ উন্নয়নে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৪১ হাজার ৩৫২ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ছবি : পিএমও

সংসদ ভবন, ১১ জুন, ২০২৬ (বাসস) : আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে স্থানীয় সরকার ও গ্রামীণ উন্নয়নের জন্য ৪১ হাজার ৩৫২ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
 
আজ বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে বাজেট অধিবেশনে এ বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়। প্রস্তাবে বলা হয়েছে, গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন, নগর ও গ্রামীণ সেবার সম্প্রসারণ এবং জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো গড়ে তুলতে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের মাধ্যমে বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে সরকার কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। সুপেয় পানি, শতভাগ স্যানিটেশন, ড্রেনেজ ও আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম সম্প্রসারণ করার পরিকল্পনা করেছে সরকার। গ্রামীণ সড়ক, সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম জোরদার করা হবে। সড়ক, সেতু, গ্রোথ সেন্টার ও সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থা ও দুর্যোগ সহনশীলতাও বৃদ্ধি করার কাজ চলবে। জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণ ও ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার বৃদ্ধি করার কর্মসূচি প্রবর্তন করা হবে। 

ডিজিটাল জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ এবং সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভাসমূহে বর্ষার আগেই জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল পুনঃখনন, ড্রেন সংস্কার এবং পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা জোরদার করা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় খাতেও বহুমুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে নারী, যুবক ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সম্ম বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। 

এ লক্ষ্যে গৃহীত পদক্ষেপসমূহ হলো— দারিদ্র্য বিমোচন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন। নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি জোরদার করা, ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক, নারী ও যুবকদের দক্ষতা উন্নয়ন, সহজ ঋণপ্রাপ্তি ও কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম সম্প্রসারণ, ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণের মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা এবং গ্রামীণ কর্মসংস্থান ও আত্মকর্মসংস্থান তৈরিতে সমবায়ভিত্তিক কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।