বাসস
  ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৬

ছাত্র রাজনীতি নিয়ে সংসদে আলোচনা হওয়া প্রয়োজন : এ্যানি

ফাইল ছবি

সংসদ ভবন, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬ (বাসস) : পানিসম্পদ মন্ত্রী ও লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, জ্বালানি পরিস্থিতির মতোই বিদ্যমান ছাত্র রাজনীতি নিয়েও জাতীয় সংসদে আলোচনা প্রয়োজন।

আজ বৃহস্পতিবার সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। 

অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রম। 

শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পর জাতি আর আগের মতো আক্রমণাত্মক ছাত্র রাজনীতি দেখতে চায় না, যা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।

তিনি বলেন, বিরোধী দলকে সংসদে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা উচিত এবং উভয় পক্ষের মধ্যে ঐকমত্য গড়ে তোলা প্রয়োজন যে, দেশের স্বার্থে এমন আক্রমণাত্মক ছাত্র রাজনীতি আর গ্রহণযোগ্য নয়।

মন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক মতাদর্শ ভিন্ন হতে পারে, তবে সকল রাজনৈতিক নেতার লক্ষ্য হওয়া উচিত দেশের বৃহত্তর স্বার্থে কাজ করা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন ১২ মার্চ শুরু হয়, যেখানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ভাষণ দেন।

কার্যউপদেষ্টা কমিটি পরে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনার জন্য ৫০ ঘণ্টা সময় নির্ধারণ করে। চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন করেন, যা হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহমেদ অপু সমর্থন করেন।

আলোচনায় অংশ নিয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত বলেন, এই সংসদ ইতোমধ্যে নতুন বাংলাদেশ গঠনের পরিবেশ তৈরি করেছে।

তিনি বলেন, সরকার স্বাস্থ্য খাতে পরিবর্তন আনতে উদ্যোগ নিয়েছে এবং স্বাস্থ্যসেবাকে বিকেন্দ্রীকরণ করা হবে।

সড়ক পরিবহন, মহাসড়ক বিভাগ ও রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেন, সরকার যোগাযোগ খাতে গতিশীলতা আনার পরিকল্পনা করছে।

গণভোটে জনগণের ম্যান্ডেট বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে যশোর-৫ আসনের বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্য গাজী এনামুল হক বলেন, গণভোট সরকারের ভাবমূর্তিতে প্রভাব ফেলবে।

যশোর-১ আসনের বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্য এম আজিজুর রহমান বলেন, সরকার ও বিরোধী দলকে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে, যা পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির মাধ্যমে সম্ভব।

এছাড়া বিএনপির সংসদ সদস্য হাফিজ ইব্রাহিম (ভোলা-২), জয়নুল আবেদিন (বরিশাল-৩), আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজুল্লাহ ফরিদ (কক্সবাজার-২), রেজাউল করিম বদশা (বগুড়া-৬), শাহজাহান চৌধুরী (কক্সবাজার-৪), বিরোধী দলের সংসদ সদস্য এম মুক্তার আলী (যশোর-৬), রুহুল আমিন (চুয়াডাঙ্গা-২), আবদুল ওয়ারেস (গাইবান্ধা-৫), মির আহমদ বিন কাসেম (ঢাকা-১৪) আলোচনায় অংশ নেন।