বাসস
  ১৪ আগস্ট ২০২৬, ১১:১৭

গাজা পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনায় কুশনারকে ইসরাইলে পাঠাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

ঢাকা, ১৪ আগস্ট, ২০২৬ (বাসস) : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজার জন্য শান্তি পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। এ নিয়ে আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্র প্রেসিডেন্টের দূত জ্যারেড কুশনারকে ইসরাইলে পাঠানোর কথা বিবেচনা করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার এক মার্কিন কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।

ওয়াশিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস এর আগে জানায়, ট্রাম্পের জামাতা এবং মধ্যপ্রাচ্য ও রাশিয়া বিষয়ক তার ঘনিষ্ঠ মধ্যস্থতাকারী কুশনার আগামী সপ্তাহে ইসরাইল ও মিসরে যাবেন। সেখানে তিনি গাজার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করবেন।

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সপ্তাহের শেষে ঘোষণা দেন, গাজা যুদ্ধ অবসানে ট্রাম্পের সর্বশেষ পরিকল্পনার বিরোধিতা করছেন তিনি।

কুশনারকে ইসরাইলে পাঠানোর বিষয়ে অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনের বিষয়ে এএফপির প্রশ্নের জবাবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে মার্কিন ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘এ ধরনের সফর নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। গাজায় কাঙ্ক্ষিত ফলাফল কী হবে, সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল একমত।’

তিনি বলেন, ‘আরও অনেক বিষয়ে আমাদের মধ্যে ঐকমত্য ও অভিন্ন উদ্বেগ রয়েছে। আমরা একসঙ্গে সেগুলো নিয়ে কাজ করব।’

এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে ধীরে ধীরে সমালোচনা বাড়তে থাকায় নেতানিয়াহু রোববার স্পষ্টভাবে গাজা পরিকল্পনার বিরোধিতা করেন। ওই পরিকল্পনায় হামাস নিরস্ত্র হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইসরাইলকে গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরু করার কথা বলা হয়েছে।

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, ইসরাইল কোনো সেনা প্রত্যাহার করবে না। এমনকি ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’ তাকে আশ্বস্ত করার পরও তিনি এ অবস্থান জানান। বোর্ড বলেছিল, হামাস পুরোপুরি নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত ইসরাইলকে সেনা প্রত্যাহার করতে হবে না।

ইসরাইলের সবচেয়ে দীর্ঘসময় ধরে দায়িত্ব পালন করা নেতা নেতানিয়াহু ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনের আগে কিছু জনমত জরিপে সমান সমান অবস্থানে রয়েছেন বা কিছুটা পিছিয়ে আছেন। ২০২৩ সালে হামাসের ভয়াবহ হামলার পর এটাই দেশটির প্রথম নির্বাচন। ওই হামলার জেরেই গাজা যুদ্ধ শুরু হয়।

গাজা পরিকল্পনাটি যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় অক্টোবরে ঘোষিত যুদ্ধবিরতির সর্বশেষ ধাপ। ওই যুদ্ধবিরতির ফলে গাজায় ইসরাইলি সামরিক অভিযান কমেছে, তবে পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।