শিরোনাম

ঢাকা, ২০ এপ্রিল, ২০২৬ (বাসস) : ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাৎজ রোববার বলেছেন, লেবাননে মোতায়েন ইসরাইলি সেনারা হুমকির সম্মুখিন হলে চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যেও তাদের ‘পূর্ণ শক্তি’ প্রয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
অধিকৃত পশ্চিম তীরে এক অনুষ্ঠানে কাৎজ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং আমি লেবাননে আমাদের সৈন্যদের যেকোনো হুমকি থেকে রক্ষায়্য যুদ্ধবিরতির মধ্যেও স্থল ও আকাশপথে পূর্ণ শক্তি প্রয়োগ করতে আইডিএফকে (ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী) নির্দেশ দিয়েছি।’
তিনি আরও জানান, ফাঁদ পাতা থাকতে পারে এবং সেনাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ যেকোনো স্থাপনা ও সড়ক যেগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সেনাবাহিনীকে।
কাৎজ বলেন, ‘সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোর যেসব ঘরবাড়ি মূলত হিজবুল্লাহর ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং ইসরাইলি জনগোষ্ঠীর জন্য হুমকি তৈরি করেছে সেগুলো অপসারণই আমাদের লক্ষ্য।’
সামরিক সূত্র জানিয়েছে, শুক্রবার ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। কিন্তু এদিনই দক্ষিণ লেবাননে এক ইসরাইলি সেনাসদস্য নিহত হন। একটি ভবনে প্রবেশের পর বোমা বিস্ফোরণে তিনি মারা যান।
কাৎজ বরাবরই বলে আসছেন যে, দক্ষিণ লেবাননে নিরাপত্তা অঞ্চল গড়ে তোলার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ইসরাইল সীমান্ত বরাবর সব বাড়িঘর ভেঙে ফেলা হবে।
গত শনিবার ইসরাইলি বাহিনী বিন্ত জুবাইল শহরে ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। এলাকাটি যুদ্ধবিরতির আগে হিজবুল্লাহর সঙ্গে তীব্র লড়াইয়ের কেন্দ্র ছিল।
কাৎজ বলেন, ‘লেবাননে অভিযানের মূল লক্ষ্য হল সামরিক ও কূটনৈতিক পদক্ষেপের সমন্বয়ে হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করা এবং উত্তরের জনবসতিগুলো থেকে হুমকি দূর করা।’
লেবানন সরকার যদি দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়, তাহলে আইডিএফ অব্যাহত সামরিক অভিযানের মাধ্যমে তা নিশ্চিত করবে বলেও তিনি সতর্ক করে দেন।
মার্চের শুরুতে, ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ ইসরাইলের দিকে রকেট হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে লেবানন।
পাল্টা জবাবে ইসরাইল লেবাননজুড়ে ব্যাপক বিমান হামলা চালায় এবং দক্ষিণ লেবাননে স্থল অভিযান শুরু করে।