বাসস
  ০৮ মার্চ ২০২৬, ২১:৫৫
আপডেট : ০৮ মার্চ ২০২৬, ২১:৫৭

নারী অধিকার প্রতিষ্ঠা ও ক্ষমতায়নের প্রত্যয়ে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত 

ছবি : পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

ঢাকা, ৮ মার্চ, ২০২৬ (বাসস) : বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও আজ বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন করেছে এবং নীতি উদ্যোগ, অংশীদারিত্ব ও বিভিন্ন খাতের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে নারী অধিকার, ক্ষমতায়ন ও সমান সুযোগ বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।

দিবসটি পালনের অংশ হিসেবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম আজ ঢাকার একটি হোটেলে ইফতারের আয়োজন করেন। এতে বিশেষ করে নারী কূটনীতিক, রাজনীতিবিদ, সরকারি কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন খাতের বিশিষ্ট অতিথিরা অংশ নেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পথিকৃৎ থেকে শুরু করে দেশের উন্নয়নে নিবেদিত নেতা, পেশাজীবী, শিক্ষাবিদ এবং উদ্যোক্তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

তিনি নারী শিক্ষায় যুগান্তকারী উদ্যোগের জন্য গণতন্ত্রের জননী সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি ও নারী বিষয়ক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক অবদানের কথা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী ফ্যামিলি অ্যান্ড ফার্মার্স কার্ড প্রোগ্রাম, নারী উদ্যোক্তাদের সহায়তা, স্নাতকোত্তর পর্যন্ত মেয়েদের জন্য বিনামূল্যে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা সুবিধার সম্প্রসারণ এবং অর্থনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধির প্রচেষ্টাসহ বিভিন্ন পরিকল্পনার রূপরেখা তুলে ধরেন।

তিনি নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ এবং এ ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কার্যকর ব্যবস্থা জোরদারে সরকারের দৃঢ় প্রতিশ্রুতির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারা কুক এবং বাংলাদেশে জাতিসংঘের নারী প্রতিনিধি গীতাঞ্জলি সিং বক্তব্য রাখেন। তারা নারীর অধিকার ও লিঙ্গসমতা প্রতিষ্ঠায় বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা এ বছরের আন্তর্জাতিক নারী দিবসের প্রতিপাদ্য ‘অধিকার, ন্যায়বিচার ও উদ্যোগ সব নারী ও মেয়েদের জন্য হোক’-এর আলোকে ন্যায়বিচার ও সমান সুযোগের প্রতিবন্ধকতা দূর করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন।