বাসস
  ০৫ জানুয়ারি ২০২২, ১৮:১৪

বাসস ক্রীড়া-২০ : পরবর্তী প্রজন্মের জন্য ইতিহাস করতে চেয়েছিলেন বিমান বাহিনীর সৈনিক এবাদত

বাসস ক্রীড়া-২০
ক্রিকেট-এবাদত
পরবর্তী প্রজন্মের জন্য ইতিহাস করতে চেয়েছিলেন বিমান বাহিনীর সৈনিক এবাদত
মাউন্ট মঙ্গানুই, ৫ জানুয়ারি ২০২২ (বাসস) : দ্বিতীয় ইনিংসে বল হাতে ৬ উইকেট নিয়ে বিশ^ চ্যাম্পিয়ন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের অবিশ^াস্য জয়ের আসল নায়ক ডান-হাতি পেসার ও বিমান বাহিনীর সৈনিক এবাদত হোসেন। ম্যাচে ৭ উইকেট নিয়ে সেরা খেলোয়াড়ও হয়েছেন তিনি।
এবাদত জানান লক্ষ্য  নির্ধারন  করেই  সিরিজ খেলতে  খেলতে নেমেছিলো দল।  তিনি বলেন অতীতে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে যা হয়নি-সেই কাখিত জয় পেয়ে  ইতিহাস সৃষ্টি করে পরের প্রজন্মের জন্য উদাহরণ তৈরি করতে চেয়েছিলেন।
ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে এবাদত বলেন, ‘প্রথমে ধন্যবাদ জানাতে চাই আল্লাহকে। দ্বিতীয়ত নিউজিল্যান্ডের মাটিতে আমাদের দল ২১ বছর ধরে কোন ম্যাচ জেতেনি। এবার একটা লক্ষ্য ঠিক করে এসেছিলাম। নিজেদের হাত তুলেছি, আর বলেছি তারা টেস্ট চ্যাম্পিয়ন। আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য তাদের হারানোর উদাহরণ রেখে যেতে হবে।’
২০১৯ সালে টেস্ট দিয়ে আন্তর্জাতিক জীবন শুরু করেন এবাদত। এই ম্যাচের আগে ১০ ম্যাচ খেলেছিলেন তিনি। বেশিরভাগ ম্যাচই বিদেশের মাটিতে, ৭টি। আর দেশের মাটিতে ৩টি। ঘরের মাঠে স্পিনিং উইকেটের কারনে পেসারদের একাদশে সুযোগের মূল্য একেবারেই কম থাকে।
তারপরও হাল ছাড়েননি এবাদত। নিজেকে তৈরি রেখেছিলেন তিনি। সুযোগ পেলেই সেটি কাজে লাগানোর লক্ষ্যেই পরিশ্রম করেছেন এবাদত। নিউজিল্যান্ডের মাটিতে সুযোগ পেয়েই নিজের জাত চেনালেন এবাদত। দ্বিতীয় ইনিংসে নিউজিল্যান্ডকে দাঁড়াতেই দেননি তিনি।
গত দু’বছর বোলিং কোচ ওটিস গিবসনের সাথে বোলিং নিয়ে অনেক কাজ করেছেন এবাদত। নিজের সাফল্যের কারন হিসেবে, সেটিকেই দাঁড় করালেন তিনি। এবাদত বলেন, ‘গত দুই বছরে ওটিস গিবসনের সাথে আমি কাজ করেছি। ঘরের মাঠে কন্ডিশন সবসময় ফ্ল্যাট থাকে। আমরা এখনো বাইরে কিভাবে বল ও রিভার্স করতে হয় সেটা শিখছি। সাফল্যের জন্য কিছুটা ধৈর্য ধরতে হয়েছে।’
উইকেট শিকারের পর স্যালুট দিয়ে আনন্দ উদযাপন করেন এবাদত। ঐ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একজন সদস্য, জানি কিভাবে স্যালুট দিতে হয়। আর ভলিবল থেকে ক্রিকেটে আসার গল্পটা অনেক লম্বা। আমি ক্রিকেটটা উপভোগ করছি, এমনকি বাংলাদেশ ও বিমানবাহীনীকে প্রতিনিধিত্ব করাও।’
বাসস/এএমটি/১৯০৫/স্বব