BSS-BNhrch_cat_news-24-5
বাসস
  ০৫ আগস্ট ২০২১, ১৯:৪৩

সিলেট-৩ আসনে ৭ সেপ্টেম্বরের আগে ভোট

ঢাকা, ৫ আগস্ট, ২০২১ (বাসস) : জাতীয় সংসদের সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ সংবিধান অনুযায়ী ৭ সেপ্টেম্বরের আগে সুবিধাজনক সময়ে করা যাবে।
বিচারপতি এম, ইনায়েতুর রহিমের একক ভার্চ্যুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ এ আদেশ দেন।
স্থানীয় সাতজন বাসিন্দা এবং ছয় আইনজীবীর আবেদনের পর করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি বিবেচনায় নিয়ে নির্ধারিত ২৮ জুলাই উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ কঠোর লকডাউন ৫ আগস্ট পর্যন্ত স্থগিত করেছিলেন হাইকোর্ট। এখন সে লকডাউন ১০ আগস্ট পর্যন্ত বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। হাইকোর্টের আদেশের পর নির্বাচন কমিশন (ইসি) সিলেট-৩ আসনের উপ-নির্বাচন স্থগিত করে। 
আজ বৃহস্পতিবার বিষয়টি আদালতে উপস্থাপনের পর ৭ সেপ্টেম্বরের আগে সিলেট-৩ আসনে ভোটের নতুন তারিখ সুবিধাজনক সময়ে নির্ধারণ করতে পারবে ইসি এ আদেশ দেন হাইকোর্ট। আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন এটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন।
রিট আবেদনকারী আইনজীবীরা হলেন-মুজাহিদুল ইসলাম, আল-রেজা মো. আমির, মো. জোবায়দুর রহমান, মো. জহিরুল ইসলাম, মিসবাহ উদ্দিন এবং মুস্তাফিজুর রহমান। স্থানীয় বাসিন্দারা হলেন- সালেহ আহমদ, ফয়েজ আহমদ, বাবরু মিয়া, শিপন আহমদ, আব্দুল আলীম, তারিস মিয়া ও রিপন আহমেদ।
এর আগে ভোট স্থগিত রাখার অনুরোধ জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদাকে লিগ্যাল নোটিশ দেয়া হয়।
সুপ্রিমকোর্টের পাঁচ আইনজীবীর পক্ষে আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির এ নোটিশ দেন। নেটিশে বলা হয়, গত ১১ মার্চ সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীর মৃত্যুতে আসনটি শূন্য হয়। ১৫ মার্চ নির্বাচন কমিশন এক বিজ্ঞপ্তিতে ওই আসন শূন্য ঘোষণা করে। ২৯ এপ্রিল নির্বাচন কমিশনের প্রজ্ঞাপন বলা হয়, সংবিধান অনুযায়ী ৮ জুনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিধান রয়েছে। কিন্তু দৈব দুর্বিপাকের কারণে তা সম্ভব না হওয়ায় সংবিধান অনুযায়ী আরো ৯০ দিন সময় বাড়িয়ে নেয়ার সুযোগ পায় ইসি। এরপর গত ২ জুন ওই উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। তফসিলে ১৪ জুলাই ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারণ করা হয়। পরে ইসি ১৫ জুন তারিখ পরিবর্তন করে ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারণ করেছিল ২৮ জুলাই।
নোটিশে আরও বলা হয়েছে, দৈব দূর্বিপাকের কারণে সংবিধান অনুযায়ী সিলেটের এ উপনির্বাচন অনুষ্ঠানের সময়সীমা ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। তাই ২৮ জুলাইয়ে অনুষ্ঠিতব্য উপ-নির্বাচন স্থগিত করা যাবে না-এ বক্তব্য আইনের সঠিক ব্যাখ্যা নয়। ইসির উচিত চলমান করোনা ভাইরাস সংক্রমণ বৃদ্ধি বিবেচনায় নিয়ে লকডাউনের সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানের আয়োজন না করা এবং ৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অন্য যে কোনো সময়ে ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারণ করা। ৩ লাখ ৫২ হাজার ভোটারের এ নির্বাচন অনুষ্ঠান সরকারের বর্তমান লকডাউন নীতিরও বিরোধী।
করোনা আক্রান্ত হয়ে এ বছরের ১১ মার্চ সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীর মৃত্যু হয়। এরপর ১৫ মার্চ আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। তফসিল ঘোষণার পর ৯০ দিন পেছালেও ২৮ জুলাই ভোটগ্রহণের দিন ধার্য করা হয়। ওইদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ইভিএমে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণের কথা ছিল।
নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হাবিবুর রহমান নৌকা প্রতীকে, জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ আতিকুর রহমান লাঙ্গল প্রতীকে, বাংলাদেশ কংগ্রেসের জুনায়েদ মোহাম্মদ মিয়া ডাব প্রতীকে এবং বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী শফি আহমেদ চৌধুরী মোটর গাড়ি প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বেটা ভার্সন