বাংলাদেশে আইসিটি এবং স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ করতে তুরস্কের প্রতি ডেপুটি স্পিকারের অাহ্বান

237

ঢাকা, ৬ অক্টোবর ২০১৮ (বাসস) : ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া বাংলাদেশে আইসিটি এবং স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ করতে তুরস্কের প্রতি অাহ্বান জানিয়েছেন।
তুরস্কের ইজমিরে এশিয়ান পার্লামেন্টারি এসেম্বলির (এপিএ) প্রধান আসুমান এরদোগানের সাথে বৈঠককালে ডেপুটি স্পিকার এ আহবান জানান। সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ কথা জানানো হয়।
তুরস্কে অনুষ্ঠেয় এশিয়ান পার্লামেন্টারি এসেম্বলিতে(এপিএ) ডেপুটি স্পিকারে নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ৪ সদস্যের একটি সংসদীয় প্রতিনিধিদল সে দেশের ইজমিরে অবস্থান করছেন। সেখানে এসেম্বলির প্রথম এক্সিকিউটিভ কাউন্সিল এবং সোশ্যাল এন্ড কালচারাল কমিটির বৈঠক ইতোমধ্যে অনুষ্ঠিত হয়। এ অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল প্রধানের সাথে এপিএ প্রধানের এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সদস্য জিল্লুল হাকিম এমপি ও তুরস্কে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম আল্লামা সিদ্দিকি উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে উভয় পক্ষ হতেই বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে সংসদীয় প্রতিনিধি বিনিময়ের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। দুই বন্ধু রাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান ব্যবসা-বনিজ্য, শিক্ষা ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়।
ডেপুটি স্পিকার বলেন, তুরস্ক এবং বাংলাদেশের মধ্যে ইসলাম ধর্মের প্রতি গভীর অনুরাগ, উদার বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি,দৃঢ় এবং দুরদৃষ্টিসম্পন্ন নেতৃত্ব, কর্মঠ যুবসমাজ এবং মেধাবী জনশক্তিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাধারণ মিল রয়েছে। দু’ দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক অংশিদারিত্ব আরও বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
এসময় তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ় নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিনত হয়েছে বলেও তুরস্কের ডেলিগেশন প্রধানকে অবহিত করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে এখন বৈদেশিক বিনিয়োগের জন্য অনুকুল পরিবেশ বিরাজমান। প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা তার সুযোগ্য পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের সর্বোত্তম সহযোগিতা এবং বিশেষ অবদানের জন্য বাংলাদেশে আইসিটি খাতে ব্যপক উন্নয়ন ঘটেছে।
নির্যাতিত মুসলিম রোহিঙ্গাদের আশ্রয় এবং সেবাদানের জন্য তুরস্কের জনগণের পক্ষ হতে বাংলাদেশের সুহৃদ সরকার ও জনগণকে ধন্যবাদ ও প্রশংসা জানান তুরস্কের ডেলিগেশন প্রধান আসুমান এরদোগান । তিনি বলেন, বাংলাদেশ এবং তুরস্ক অসহায় মানুষদের আশ্রয় দিয়ে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
বাংলাদেশের প্রতি তুরস্ক সরকারের নৈতিক এবং বস্তুনিষ্ঠ সমর্থনের জন্য সে দেশের সরকারকে ধন্যবাদ জানান ডেপুটি স্পিকার। দ’ুদেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, ব্যবসা-বানিজ্যের সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন উভয় দেশের এপিএ ডেলিগেশন প্রধান।

image_printPrint