বাসস প্রধানমন্ত্রী-১ (দ্বিতীয় ও শেষ কিস্তি) : সরকার অলিম্পিক গেমসের যোগ্য করে ক্রীড়াবিদদের গড়ে তুলতে চায় : প্রধানমন্ত্রী

29

বাসস প্রধানমন্ত্রী-১ (দ্বিতীয় ও শেষ কিস্তি)
শেখ হাসিনা-বাংলাদেশ গেমস (দ্বিতীয় ও শেষ কিস্তি)
সরকার অলিম্পিক গেমসের যোগ্য করে ক্রীড়াবিদদের গড়ে তুলতে চায় : প্রধানমন্ত্রী

গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মঞ্চে আসন গ্রহণের পর পরই জাতীয় সঙ্গীত বেজে ওঠে এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত বঙ্গবন্ধু নবম বাংলাদেশ গেমসের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। ক্রীড়াবিদরা সারিবদ্ধ হয়ে মাঠে অবস্থান নেন, ক্রীড়াবিদদের শপথবাক্য পাঠ করান তীরন্দাজ রোমান সানা এবং বিচারকদের পক্ষে শপথবাক্য পাঠ করান সাবেক জুডো তারকা কামরুন্নাহার হিরু। ৩১টি ডিসিপ্লিনের ক্রীড়াবিদরা হাত নেড়ে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান।
সকল অংশগ্রহণকারীর উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন, আগাম শুভেচ্ছা থাকলো যেন সফলভাবে আপনারা এটা সম্পন্ন করবেন এবং প্রত্যেকেই যেন আপনাদের পারদর্শিতা দেখাতে পারেন।
একটি জাতিকে উন্নত করতে হলে খেলাধূলাসহ সর্বক্ষেত্রে উন্নতি করা প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই খেলাধূলাটা আমাদের শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে যুব, তরুণ সকলের জন্য একান্ত অপরিহার্য।
তিনি এ সময় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু এবং তাঁর বাবা শেখ লুৎফর রহমান এমনকি প্রধানমন্ত্রীর ছোট ভাইয়েরা পর্যন্ত খেলাধূলায় যুক্ত ছিলেন, নিজেরা খেলতেন এবং তিনি নিজেও নিজেকে একজন ক্রীড়ানুরাগী হিসেবে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন ’৭৫ এর ঘাতক চক্র জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা করে সকল সম্ভাবনাকেই নস্যাৎ করে দেয়।
২১ বছর পর ’৯৬ সালে সরকারে এসেই তাঁর সরকার যুব সমাজকে খেলাধূলার প্রতি উৎসাহিত করতে চেষ্টা করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার সব ধরনের খেলাধূলার প্রতিই যুবসমাজকে উৎসাহিত করেছে, এমনকি দেশীয় খেলাধূলার প্রতিও গুরুত্বারোপ করেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর একটাই লক্ষ্য আমরা চেয়েছি আমাদের ছেলে-মেয়েরা এর সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকুক। তার সরকার সমগ্র বাংলাদেশের প্রত্যেকটি উপজেলায় একটি করে মিনি স্টেডিয়াম, তথা খেলার মাঠ করে দিয়েছে। পাশাপাশি ফুটবল, ক্রিকেটসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক খেলারও প্রতিযোগিতামূলক আসরের ব্যস্থা করেছে এবং করছে। তবে, করোনার কারণে একটু সমস্যা দেখা দিলেও আমরা মনে করি কাজ চালাতে পারবো।
ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠান উদ্বোধন করায় এবং সরাসরি মাঠে উপস্থিত হতে না পারায় এ সময় আক্ষেপ ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। তবে, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার সুবাদে অনলাইনে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করতে পারায় সরকারের সাফল্যের দিকেও ইঙ্গিত করেন তিনি।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি নিজে খেলাধূলা পছন্দ করি এবং সবসময় নিজে উপস্থিত থেকেই খেলাধূলার উদঘাটন করতে চেষ্টা করি। যদিও এবার পারলাম না, যেটা আমার জন্য খুব দুঃখজনক। তারপরেও আমি বলবো, সকলের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করেই আসিনি।’
বাসস/এএসজি-এফএন/২২০৮/আরজি