প্রতি উপজেলায় ডিজিটাল সেন্টার স্থাপনের সুপারিশ

121

ঢাকা, ২১ মার্চ, ২০২১(বাসস) : ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভায় দেশের প্রতিটি উপজেলায় একটি করে আইসিটি সেবা বা ডিজিটাল সেন্টার স্থাপনের জন্য মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করা হয়েছে। কমিটির সভাপতি এ.কে.এম রহমতুল্লাহর অনুপস্থিতিতে কমিটির সিনিয়র সদস্য বেনজীর আহমদের সভাপতিত্বে আজ সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সভায় এ সুপারিশ করা হয়।
কমিটির সদস্য তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক, ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল, আহমেদ ফিরোজ কবির, মোঃ নুরুল আমিন, মনিরা সুলতানা, জাকিয়া পারভীন খানম এবং অপরাজিতা হক সভায় অংশগ্রহণ করেন। কমিটির সভাপতির অভিপ্রায় অনুযায়ী ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার সভায় অংশগ্রহণ করেন।
সভায় ডাক, টেলিযোগ ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের সামগ্রীক কার্যাবলী সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন সম্পর্কে বিভিন্ন প্রকল্পের তথ্য চিত্র ডিজিটাল পদ্ধতিতে সভায় উপস্থাপন করা হয়। ল্যাব স্থাপিত হলে অনেক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে, দক্ষ জনবল সৃষ্টিতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে এবং ডিজিটাল সেবার মান অনেকাংশে বৃদ্ধি পাবে। তাই কমিটির পক্ষ হতে দুর্গম চরাঞ্চল ও হাওর-বাওর অঞ্চলে ডেনমার্ক সরকারের সহায়তায় আইসিটি সেবা সম্প্রসারণের সুপারিশ করা হয়। সভায় প্রস্তাবিত বিভিন্ন প্রকল্পসমূহ যথাসময়ে বাস্তাবয়নের সুপারিশ করা হয়।
সভায় টেশিসের দ্বৈত ভ্যাট প্রত্যাহারের উদ্দেশ্যে এনবিআর এর সাথে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় হয়। দোয়েল ব্রান্ডের ল্যাপটপের মান উন্নত করার প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে বিধায় বর্তমানে উৎপাদিত পণ্য অত্যন্ত ভাল বলে দেশী পণ্য ব্যবহারের উৎসহিত করার প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়। বিদেশী পণ্যের সাথে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য দেশে তৈরী ল্যাপটপ, মোবাইল, প্রি-পেইড এনার্জি মিটার এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক্স সামগ্রীর মান বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়।
সভায় জানানো হয়, ডাক বিভাগকে দূর্নীতিমুক্ত করার জন্য ডিজিটাল পদ্ধতিতে ঢেলে সাজানো কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে। সুধাংশু শেখর ভদ্রকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে যাওয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তাঁর বিভাগীয় মামলা অব্যাহত আছে। অভিযোগ প্রমানিত হলে পেনশন হতে ক্ষতির অর্থ আদায়ের সুযোগ রয়েছে বলে অবহিত করা হয়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি জিরো টলারেন্স পদ্ধতি অবলম্বন করার সুপারিশ করা হয়।
সভায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব, বিভিন্ন বিভাগের প্রধানসহ এবং সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।