বাসস দেশ-৪৯ : কোটালিপাড়ায় প্রধানমন্ত্রীর অবতরণের স্থানে বোমা : মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ

59

বাসস দেশ-৪৯
বোমা-মামলা-সাক্ষ্য
কোটালিপাড়ায় প্রধানমন্ত্রীর অবতরণের স্থানে বোমা : মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ
ঢাকা, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ (বাসস) : টুঙ্গিপাড়ার কোটালিপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হেলিকপ্টার অবতরণের স্থানে বোমা পুঁতে রাখার অভিযোগে করা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার উদ্দেশ্যে সেখানে বোমা পুঁতে রাখা হয় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
রোববার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালতে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা সিআইডির সাবেক এএসপি আব্দুল কাহার আকন্দকে জেরা করেন আসামি পক্ষের আইনজীবীরা। তার জেরার মধ্য দিয়ে মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে। আদালত আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য আগামি ৪ মার্চ দিন ধার্য করেন।
এ মামলার আসামিরা হলেন, মো. আজিজুল হক ওরফে শাহনেওয়াজ, মো. লোকমান, মো. ইউসুফ ওরফে মোছহাব মোড়ল, মোছহাব হাসান ওরফে রাশু, শেখ মো. এনামুল হক, মো. মফিজুর রহমান অরফে মফিজ, মো. মাহমুদ আজহার ওরফে মামুনুর রশিদ, মো. রাশেদুজ্জামান ওরফে শিমুল, মো. তারেক, মো. ওয়াদুদ শেখ ওরফে গাজী খান, মো. আনিসুল ইসলাম, সারোয়ার হোসেন মিয়া, মাওলানা আমিরুল ইসলাম ওরফে জেন্নাত মুন্সী ও মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০০০ সালের ২১ জুলাই গোপালগঞ্জ জেলার কোটালিপাড়ায় শেখ লুৎফর রহমান আদর্শ কলেজের মাঠে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমাবেশস্থলের পাশ থেকে ৭৬ কেজি ওজনের একটি বোমা উদ্ধার করা হয়। বোমা উদ্ধার হওয়ার পরদিন ওই স্থানেই শেখ হাসিনার বক্তব্য দেয়ার কথা ছিল। এ ঘটনায় কোটালিপাড়া থানার উপ পরিদর্শক নূর হোসেন বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে একটি মামলা করেন।
২০০১ সালের ১৫ নভেম্বর তৎকালীন সিআইডির এএসপি আব্দুল কাহার আকন্দ মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরপর ২০০৪ সালের ২১ নভেম্বর আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচারের আদেশ দেন। বিভিন্ন সময়ে আদালতে ৫০ জনের মধ্যে ৩৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।
বাসস/সংবাদদাতা/এফএইচ/২১২৫/এবিএইচ