বাসস দেশ-২৫ : যুক্তরাষ্ট্রে পলাতক জাতির পিতার খুনিকে শিগগিরই দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে : আইনমন্ত্রী

437

বাসস দেশ-২৫
আইনমন্ত্রী-সেমিনার
যুক্তরাষ্ট্রে পলাতক জাতির পিতার খুনিকে শিগগিরই দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে : আইনমন্ত্রী
ঢাকা, ১৮ আগস্ট, ২০১৮ (বাসস) : আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে থাকা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে শিগগিরই দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের অত্যন্ত বন্ধুত্বসুলভ সম্পর্ক রয়েছে। আমাদের এই সম্পর্কের ওপর আস্থা রেখে বলতে পারি, যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে থাকা বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে যথাশিগগিরই ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।’
আজ শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশের সংবিধান’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত এটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা ও জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক মো. আব্দুল মান্নান ইলিয়াস বক্তৃতা করেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মশিউর রহমান।
আনিসুল হক বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০০৭ সালে বঙ্গবন্ধুর এক খুনিকে ফিরিয়ে দিয়েছে। এখনও সেখানে (যুক্তরাষ্ট্র) একজন চিহ্নিত খুনি রয়েছে। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তৎকালীন সরকার এই খুনিকে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ না নেয়ার সুযোগে সে আইনী লড়াইয়ের মধ্যে ছিল।
তিনি বলেন, ‘তারপরও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাকে (খুনি) ফিরিয়ে দেয়ার বিষয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনায় রয়েছে এবং আইনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তারা (যুক্তরাষ্ট্র) তাকে কিভাবে ফিরিয়ে দিতে পারে সে বিষয়ে আলোচনা চলছে।’
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর আরেক খুনি নূর চৌধুরীকে কানাডা থেকে ফেরত আনার ক্ষেত্রে আইনী প্রতিবন্ধকতা সম্পর্কে আনিসুল হক বলেন, ‘এই প্রতিবন্ধকতা পার হতে পারলেই আমরা নূর চৌধুরীকে ফিরিয়ে আনতে পারবো।’
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলা প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘মামলা প্রায় শেষ পর্যায়ে। সাধারণ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই মামলাটির কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।’
আসামিরা এ মামলায় কালক্ষেপণের চেষ্টা করছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। তাই মামলার আসামিদের বক্তব্য দেয়ার সুযোগ দিচ্ছি।’
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘একটি সংবিধানে যা যা থাকা প্রয়োজন, তা ১৯৭২ সালের সংবিধানে রেখে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলার জনগণকে সংবিধান উপহার দিয়ে গিয়েছেন। তাঁর (বঙ্গবন্ধু) অবদানের কারণেই আমরা এখানে এসে পৌঁছেছি।’
বাসস/সবি/এমকে/২৩০৫/শহক