বাসস দেশ-৩২ : রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে টোকিওর জোরালো সহায়তা চায় ঢাকা

144

বাসস দেশ-৩২
বাংলাদেশ-জাপান-রোহিঙ্গা
রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে টোকিওর জোরালো সহায়তা চায় ঢাকা
ঢাকা, ২৫ অক্টোবর, ২০২০ (বাসস) : মিয়ানমারের সাথে জাপানের সম্পর্ক ব্যবহার করে বাংলাদেশ থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে টোকিওর জোরালো সহায়তা চেয়েছে ঢাকা।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত নওকি ইতো আজ রাজধানীতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনের সাথে বৈঠক করার সময় এ সহায়তা চাওয়া হয়।
বৈঠকে ড. মোমেন বলেন, এই অঞ্চলের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে বাংলাদেশে অস্থায়ীভাবে আশ্রয় নেয়া ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে অবশ্যই মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে তাদের পৈত্রিক নিবাসে ফিরে যেতে হবে।
জবাবে রাষ্ট্রদূত জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোতেগির সাম্প্রতিক মিয়ানমার সফরের কথা উল্লেখ করেন যেখানে তিনি রোহিঙ্গাদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে নিতে নেপিডোকে আহ্বান জানান এবং তিনি আশ্বাস দেন যে তাঁর সরকার বিষয়টি সমাধানে প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।
তিনি বলেন, ২২ অক্টোবর অনুষ্ঠিত রোহিঙ্গা শরণার্থী রেসপন্স বিষয়ক টেকসই সহায়তা সম্মেলনে জাপান প্রত্যাবাসন সম্পর্কিত তাদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের অবকাঠামোগত ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে জাপানের অব্যাহত সহায়তার প্রশংসা করেন।
তিনি জাপানি উদ্যোক্তাদের আড়াইহাজার (নারায়ণগঞ্জ) এবং গাজীপুরে দুটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।
ড. মোমেন বলেন, জাপানি ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশের উচ্চ কর্পোরেট মুনাফা, ব্যবসা-বান্ধব নীতি, বিশাল দেশীয় বাজার এবং বিশ্বজুড়ে গুরুত্বপূর্ণ বাজারগুলোতে কৌশলগত প্রবেশের সুযোগ নিতে পারে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশকে বিনিয়োগর জন্য একটি ভাল গন্তব্য হিসাবে অভিহিত করেছেন এবং দুই বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের মধ্যে সহযোগিতার আরো উন্নত করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে জাপানের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগার চিঠির কথা উল্লেখ করে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরো জোরদারে জাপানের আগ্রহ ্রপ্রকাশ করেন।
দু’জনেই বিদ্যমান চমৎকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ২০২২ সালে বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে কূটনৈতিক সম্পর্কের পঞ্চাশতম বার্ষিকী উদযাপন করতে সম্মত হন।
ড. মোমেন জাপান সরকারকে কোভিড-১৯ মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জানান।
বাসস/টিএ/অনুবাদ-এইচএন/২৩১৫/এবিএইচ