প্রচলিত পদ্ধতির ব্যবসা-বাণিজ্য ডিজিটাল পদ্ধতিতে রূপান্তর শুরু : মোস্তাফা জব্বার

486

ঢাকা ৪ জুলাই,২০২০ (বাসস) : ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন,প্রচলিত পদ্ধতির বিদ্যমান ব্যবসা – বাণিজ্য ও শিল্প ডিজিটাল পদ্ধতিতে রূপান্তর শুরু হয়েছে।
তিনি বলেন,‘আমরা এখন চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগে বসবাস করছি। এ বিপ্লব ছড়িয়ে দিতে হবে। আমাদের বড় সম্পদ হচ্ছে মানব সম্পদ। এই সম্পদ কাজে লাগাতে হবে।’
মন্ত্রী আজ শনিবার রাজধানীতে বেসিস প্রণীত ‘মানব সম্পদ’ হ্যান্ডবুকের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
মোস্তাফা জব্বার জ্ঞান-ভিত্তিক সাম্য-সমাজ বিনির্মাণে বিদ্যমান সম্পদের আর্থিক মূল্যায়ন পদ্ধতিতে মেধা সম্পদকে প্রাধান্য দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেন।
জুম কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে এ প্রকাশনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বেসিস সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবিরের সঞ্চালনায় জুম কনফারেন্সিংয়ে বেসিস’র সাবেক সভাপতি এ তৌহিদ, হাবিবুল্লাহ এন করিম, রফিকুল ইসলাম রাউলি, মাহবুব জামান, শামীম আহসান এবং বেসিস’র সাবেক পরিচালক শাহ ইমরুল কায়েস বক্তৃতা করেন।
টেরিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন,বাংলাদেশসহ বৈশি^ক করোনা পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে এ দেশের প্রত্যন্ত গ্রামের স্কুলটিও ইন্টারনেটের মাধ্যমে অনলাইনে ক্লাস করানোর প্রত্যাশা করছে। তিনি বলেন,সময়ের প্রয়োজনে খাদ্যের মতই ইন্টারনেটের আবশ্যিকতা সমান তালে চলছে। করোনাকালে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে ডিজিটাল প্রযুক্তির প্রয়োজনীয়তা অনিবার্য হয়ে উঠেছে।
ডিজিটাল ইন্ডাস্ট্রির প্রয়োজনীয়তা আগামী দিনে আরো ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে উল্লেখ করে বেসিস’র প্রতিষ্ঠাতা মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘বাংলাদেশ কেবলমাত্র সফটওয়্যার উৎপাদনই করছে না, আমাদের মেধাবি তরুণদের উদ্ভাবিত সফটওয়্যার বিদেশে রপ্তানিও হচ্ছে।’
দেশে যা উৎপাদন করা যায় তা বিদেশ থেকে আমদানি করার প্রয়োজন হবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মন্ত্রী বলেন, চাহিদার শতকরা পঞ্চাশভাগ মোবাইল ফোন এখন দেশেই উৎপাদন করা হচ্ছে। করোনা-ভাইরাসের সংক্রমণের প্রভাব না থাকলে এতদিন তা ৭০ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব হতো। কম্পিউটার উৎপাদনের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে বলে তিনি জানান।
বেসিস সদস্যদের জন্য হ্যান্ডবুকটিকে একটি অসাধারণ গাইড হিসেবে উল্লেখ করে মোস্তাফা জব্বার বলেন, ডিজিটাল দুনিয়ায় যারা কাজ করেন, তারা অধিকাংশই বয়সে তরুণ এবং অতীত কোন অভিজ্ঞতা ছাড়াই তারা কাজ শুরু করেন।
তিনি বলেন, এ ধরনের প্রকাশনা তরুণদের জন্য ভাল একটি দিক দির্দেশনা প্রদান করবে যা ডিজাটাল জগতে তাদের অধিকতর অবদান রাখার সুযোগ সৃষ্টিতে সহায়ক হবে ।
মন্ত্রী তরুণ উদ্ভাবকদের কপিরাইট আইন,পণ্যের পেটেন্ট সংরক্ষণ এবং ট্রেডমার্ক বিষয়ে অধিকতর সচেতনতার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব প্রদান করেন।
পরে মন্ত্রী এইচ আর হ্যান্ডবুকের মোড়ক উন্মোচন করেন।