তামিমের সেঞ্চুরির পরও অস্বস্তিতে সিরিজ জয় নিশ্চিত করতে হলো বাংলাদেশকে

262

সিলেট, ৩ মার্চ ২০২০ (বাসস) : ওপেনার তামিম ইকবালের সেঞ্চুরিতে এক ম্যাচ বাকী রেখেই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জয় নিশ্চিত করলো স্বাগতিক বাংলাদেশ। আজ সিরিজের উত্তেজনাপূর্ণ দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশ মাত্র ৪ রানে হারায় জিম্বাবুয়েকে। ফলে তিন ম্যাচের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়েও গেল টাইগাররা। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এটি ১১তম সিরিজ জয় বাংলাদেশের। আর সব মিলিয়ে ২৫তম ওয়ানডে সিরিজ জয় টাইগারাদের।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করে ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ৩২২ রান করে বাংলাদেশ। তামিম ১৫৮ রান করেন। জবাবে ২২৫ রানে সপ্তম উইকেট হারিয়ে ম্যাচ হারের পথে ছিটকে পড়ে জিম্বাবুয়ে। কিন্তু অষ্টম উইকেটে ৪৪ বলে ৮০ রানের ঝড়ো জুটি গড়ে জিম্বাবুয়ের জয়ের পথ তৈরি করে ফেলেন তিনোতেন্ডা মুতোমবদজি ও ডোনাল্ড তিরিপানো। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দলকে জয়ের আনন্দে মাতাতে পারেননি মুতোমবদজি ও তিরিপানো। ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ৩১৮ রান করে ম্যাচ হারে জিম্বাবুয়ে।
প্রথম ওয়ানডের মত এবারও টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। একাদশে দু’টি পরিবর্তন নিয়ে সিরিজ জয় নিশ্চিত করতে মাঠে নামে টাইগাররা। বিশ্রাম দেয়া হয় অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে। তাদের পরিবর্তে একাদশে সুযোগ পান দুই পেসার আল-আমিন হোসেন ও শফিউল ইসলাম।
তামিমের সাথে ইনিংস শুরু করেন আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান লিটন দাস। এ ম্যাচে আর টেস্ট মেজাজে দেখা যায়নি তামিমকে। প্রথম ৭ ওভারের মধ্যে ৬টি বাউন্ডারি মারেন তিনি। তামিমের মারমুখী মেজাজের ব্যাটিং চলাকালীন ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। ওপেনার লিটন দাস রান আউট হয়ে ফিরে যান। সপ্তম ওভারের তৃতীয় বলে নামের পাশে ৯ রান রেখে ফিরেন লিটন।
এবারও ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারেননি তিন নম্বরে নামা নাজমুল হোসেন শান্ত। ৬ রান করে শান্তও রান আউট হন। ৬৫ রানে ২ উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে বাংলাদেশ। কিন্তু তামিমের মারমুখী ব্যাটিংএ বাংলাদশের রানের চাকা ঠিকই ঘুরছিলো। ১১তম ওভারের শেষ বলে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৪৮তম হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তামিম। ৪২ বলে এসেছিলো তামিমের হাফ-সেঞ্চুরি। সাম্প্রতিক সময়ে ধীরলয়ের ব্যাটিং-এর জন্য সমালোচনায় বিদ্ধ হচ্ছিলে তামিম। কিন্তু সমালোচকদের মুখ বন্ধ করতে আজ যেন পণ করে নেমেছিলেন তিনি।
হাফ-সেঞ্চুরিতে পা দিয়ে মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে বড় জুটি গড়ার চেষ্টা করে সফল হন তামিম। লিটন-শান্তর সাথে যা পারেননি মুশফিকের সাথে সেটিই করেছেন তামিম। উইকেটের সাথে দ্রুত সেট হয়ে মারমুখী হয়ে উঠেন মুশফিকও। তাই ২৫ ওভার শেষে দলের ১৪৬ রানে পৌঁছে যায়। ওভারের শেষ বলে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৩৮তম হাফ-সেঞ্চুরির স্বাদ নেন মুশফিক। তিনি খেলেছেন ৪৭ বল।
হাফ-সেঞ্চুরির করার পরের ওভারে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন মুশফিক। ৫০ বল মোকাবেলা করে ৬টি চারে ৫৫ রান করেন মুশফিক। সিরিজের একমাত্র টেস্টে ডাবল-সেঞ্চুরি করা মুশফিক তৃতীয় উইকেটে তামিমের সাথে ৯২ বলে ৮৭ রানের জুটি গড়েন।
তামিম-মুশফিক, জুটিতে সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়েও ব্যর্থ হন। কিন্তু এরপর সেটির স্বাদ নেন তামিম ও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। চতুর্থ উইকেটে ১০২ বলে ১০৬ রান যোগ করেন তারা। এতে বড় সংগ্রহের ভিত পেয়ে যায় বাংলাদেশ। আর এই জুটি গড়ার সময়েই ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ১২তম সেঞ্চুরির স্বাদ নেন তামিম।
ইনিংসের ৩৭তম ওভারে জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিন উইলিয়ামসের শেষ বলে ২ রান নিয়ে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তামিম। ১০৬তম বলে অনেক স্বস্তির সেঞ্চুরিটি করেন তামিম। ২৩ ইনিংস ও ২০ মাস পর ওয়ানডেতে সেঞ্চুরি করলেন সম্প্রতি প্রথম শ্রেনির ঘরোয়া আসরে ট্রিপল সেঞ্চুরি করা তামিম। তার সর্বশেষ সেঞ্চুরিটি ছিলো ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে, ১০৩ রানের। তার ঐ সেঞ্চুরিতেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে ১৮ রানের জয়ে সিরিজ জিতেছিলো বাংলাদেশ।
আজ স্বস্তির সেঞ্চুরির পর নিজের ইনিংসটি বড় করেছেন তামিম। তাকে ভালোই সঙ্গ দিয়েছেন মাহমুদুল্লাহ। ৪০তম ওভারে জিম্বাবুয়ের স্পিনার তিনোতেন্ডা মুতোমবদজির কাছ থেকে ২৪ রান আদায় করে নেন তারা। তামিম ৩টি চার ও ১টি ছক্কা এবং মাহমুদুল্লাহ ১টি চার মারেন। তবে ৪৩তম ওভারে দলীয় ২৫৮ রানে চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন মাহমুদুল্লাহ। ৩টি চারে ৫৭ বলে ৪১ রান করে ফিরেন মাহমুদুল্লাহ।
মাহমুদুল্লাহর বিদায়ের পর মোহাম্মদ মিথুনকে আরও বেশি মারমুখী হয়ে উঠেন তামিম। ১৩২তম বলে দেড়শ রান পূর্ণ হয় তামিমের। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়বারের মত দেড়শ রানে পা রাখেন তামিম। ২০০৯ সালে এই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই ১৫৪ রান করেছিলেন তামিম। আজ ঐ স্কোরকে ছাপিয়ে আউট হন তামিম।
ইনিংসের ৪৬তম ওভারে জিম্বাবুয়ের পেসার চার্ল মুম্বার বলে লং-অফে মুতোমবদজিকে ক্যাচ দেন তামিম। ২০টি চার ও ৩টি ছক্কায় ১৩৬ বলে ১৫৮ রান করেন তিনি। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে এটি তার সর্বোচ্চ ইনিংস। এই ইনিংস খেলার পথে বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে সাত হাজার রানও পূর্ণ করেন তামিম।
স্লগ ওভারে বাংলাদেশের লোয়ার-অর্ডার ব্যাটসম্যানরা ব্যর্থ হলেও, মিথুন বাংলাদেশকে রানের চূড়ায় বসিয়েছেন। ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ৩২২ রানের সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। প্রথম ওয়ানডেতে ৩ উইকেটে ৩২১ রান করেছিলো বাংলাদেশ। সেটি হয়েছিলো জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। কিন্তু একদিন পর হওয়া দ্বিতীয় ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দলীয় সংগ্রহের নয়া রেকর্ড গড়ে টাইগাররা।
শেষদিকে, ১৮ বলে ৩টি চার ও ১টি ছক্কায় অপরাজিত ৩২ রান করেন মিথুন। জিম্বাবুয়ের মুম্বা-ডোনাল্ড তিরিপানো ২টি করে উইকেট নেন।
আগের ম্যাচের মত এবারও জিততে বড় টার্গেট পায় জিম্বাবুয়ে। ৩২৩ রানের টার্গেটে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি তাদের। চতুর্থ ওভারের প্রথম বলেই জিম্বাবুয়ে শিবিরে প্রথম আঘাত হানেন বাংলাদেশের পেসার শফিউল ইসলাম। রেগিস চাকাবাকে ২ রানে বিদায় নেন শফিউল।
দলীয় ১৫ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর ঘুড়ে দাঁড়ানোর পরিকল্পনায় ছিলেন আরেক ওপেনার তিনাসি কামুনহুকামবে ও অভিজ্ঞ ব্রেন্ডন টেইলর। ধীরে ধীরে বড় জুটি গড়ছিলেন তারা। কিন্তু নিজেদের ভুলে প্রথম পাওয়ার প্লে শেষ ওভারে বিচ্ছিন্ন হন তারা। ১১ রান করে রান আউট হন টেইলর।
টেইলরের বিদায়ে উইকেট যান নিয়মিত অধিনায়ক সিন উইলিয়ামস। প্রথমবারের মত এবারের সফরে খেলতে নেমে ১৪ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। বাংলাদেশের স্পিনার মিরাজের প্রথম শিকার হন তিনি। ৬৭ রানে ৩ উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে।
তবে অন্যপ্রান্ত রান তোলার কাজটা ভালোই করছিলেন কামুনহুকামবে। দলকে শতরানে পৌঁছে দেয়ার আগেই ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম হাফ-সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। ৬৩ বলে হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করলেও নিজের ইনিংসটি বড় করতে পারেননি কামুনহুকামবে। ৫১ রানে বাংলাদেশের স্পিনার তাইজুলের বলে বোল্ড হন তিনি। ৭০ বলের ইনিংসে ৫টি চার ও ২টি ছক্কা হাকান কামুনহুকামবো।
দলের স্কোর যখন ১০২ রান, তখন কামুনহুকামবেকে হারায় জিম্বাবুয়ে। ফিরে যাওয়া চার ব্যাটসম্যান বড় জুটি গড়তে পারেননি। তাই বড় জুটির সন্ধানে ছিলো জিম্বাবুয়ে। অবশেষে জিম্বাবুয়ের আশা পূরণ করেন সিকান্দার রাজা ও ওয়েসলি মাধভেরে। মারমুখী মেজাজেই বাংলাদেশের বোলারদের পাল্টা আক্রমন চালান রাজা ও মাধভেরে। তাই এই জুটি ভাঙ্গতে বেগ পেতে হয় বাংলাদেশের বোলারদের। এ জুটি বড় হওয়ায় খেলায় ফেরার পথ খুঁজতে থাকে সফরকারীরা। ৫৬ বলে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম হাফ-সেঞ্চুরিও তুলে নেন একবার জীবন পাওয়া মাধভেরে।
কিন্তু ৩৭তম ওভারে এই জুটিকে বিচ্ছিন্ন করে বাংলাদেশকে দুর্দান্ত এক ব্রেক-থ্রু এনে দেন স্পিনার তাইজুল। ৫টি চারে ৫৭ বলে ৫২ রান করা মাধভেরেকে লেগ বিফোর ফাঁদে ফেলেন তিনি। জুটিতে ৭৬ বলে ৮১ রান যোগ করেন রাজা ও মাধভেরে।
মাধভেরে বিদায়ের কিছুক্ষন পর ৪৮তম বলে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ১৫তম হাফ-সেঞ্চুরি তুলে নেন রাজা। অর্ধশতকের পর নিজের ইনিংসটি বড় করছিলেন রাজা। রিচমন্ড মুতুম্বামিকে নিয়ে ৩০ রানের জুটিও গড়েন রাজা। তবে মুতুম্বামিকে ব্যক্তিগত ১৯ রানে লেগ বিফোর আউট করে নিজের বোলিং কোটা শেষ করেন তাইজুল। ১০ ওভারে ৫২ রানে ৩ উইকেট নেন তাইজুল।
এক ওভার পরই জিম্বাবুয়ের শেষ ভরসাকে তুলে নিয়ে বাংলাদেশের জয়ের পথ তৈরি করে ফেলেন স্বাগতিক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। থার্ড ম্যানে মাহমুুদুল্লাহকে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন রাজা। ৫টি চার ও ২টি ছক্কায় ৫৭ বলে ৬৬ রানে আউট হওয়া রাজা দলের সর্বোচ্চ ইনিংস খেলেন।
এরপর শেষদিকে এসে ব্যাট হাতে ঝড় তুলেন মুতোমবদজি ও তিরিপানো। জুটি বাঁধার পর প্রথম ১৯ বলে ২১ রান নেন তারা। এমন অবস্থায় ৪৫ ওভার শেষে জিম্বাবুয়ের স্কোর গিয়ে দাড়ায় ৭ উইকেটে ২৪৬ রান। শেষ ৩০ বলে ৭৭ রান দরকার পড়ে দলের। আস্কিং রেট ছিলো ১৫ দশমিক ৪০।
আল-আমিনের ৪৬তম ওভারে ১৬, শফিউলের ৪৭তম ওভারে ২০ ও আল-আমিনের ৪৮তম ওভারে ৭ রান নিয়ে দলের জয়ের সমীকরন ১২ বলে ৩৪ রানে নামিয়ে আনেন মুতোমবদজি ও তিরিপানো। বিধ্বংসী রুপে ছিলেন তিরিপানো। এসময় ২২ বলে ৪০ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। মুতোমবদজি করেছিলেন ১৫ বলে ২১ রান।
শফিউলের করা ৪৯তম ওভার থেকে ১৪ রান পেয়ে যান মুতোমবদজি ও তিরিপানো। মুতোমবদজির ব্যাট থেকে আসে ২টি চার। তাই শেষ ওভারে জিততে ২০ রান লাগে জিম্বাবুয়ের।
শেষ ওভার করতে আক্রমনে আসেন আল-আমিন। দ্বিতীয় বলেই মুতোমবদজিকে ৩৪ রানে থামিয়ে দিয়ে বাংলাদেশকে স্বস্তি নেয়ার সুযোগ করেন আল-আমিন। ৫টি চারে ২১ বলে ৩৪ রান করেন মুতোমবদজি। অষ্টম উইকেটে ৪৪ বলে ৮০ রানের ঝড়ো জুটি গড়েন মুতোমবদজি ও তিরিপানো। বাংলাদেশের মাটিতে অষ্টম উইকেটে সর্বোচ্চ রানের জুটির রেকর্ড এটি।
আল-আমিনের তৃতীয় ও চতুর্থ ডেলিভারিতে দু‘টি ছক্কা মারেন তিরিপানো। ফলে ২ বলে জয়ের জন্য ৬ রান দরকার পড়ে জিম্বাবুয়ের। পঞ্চম বলে ডট ও শেষ বলে ১ রান দিয়ে বাংলাদেশের ভয় দূরে করেন আল-আমিন। ৪ রানের জয়ে সিরিজ নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের। ২৬ বলে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম হাফ-সেঞ্চুরি করে ম্যাচ ঘুড়িয়ে ফেলেছিলেন তিরিপানো। শেষ পর্যন্ত আর পারেননি তিনি। তবে ২৮ বলে ২টি চার ও ৫টি ছক্কায় ৫৫ রানে অপরাজিত থাকেন তিরিপানো। জিম্বাবুয়ে করে ৮ উইকেটে ৩১৮ রান।
বাংলাদেশের তাইজুল ৩টি ছাড়া ১টি করে উইকেট শিকার করেন মাশরাফি-শফিউল-আল আমিন-মিরাজ।
আগামী ৬ মার্চ একই ভেন্যুতে হবে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে।
স্কোরকার্ড (টস- বাংলাদেশ) :
বাংলাদেশ ইনিংস :
তামিম ইকবাল ক মুতুমবোজি ব মুম্বা ১৫৮
লিটন দাস রান আউট (মুম্বা) ৯
নাজমুল শান্ত রান আউট (টেইলর/মাধভেরে) ৬
মুশফিকুর রহিম ক মুতুমবোজি ব মাধভেরে ৫৫
মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ক মাধভেরে ব টিসুমা ৪১
মোহাম্মদ মিথুন অপরাজিত ৩২
মেহেদি হাসান মিরাজ বোল্ড ব মুম্বা ৫
মাশরাফি বিন মুর্তজা ক রাজা ব তিরিপানো ১
তাইজুল ইসলাম ক মুতুমবোজি ব তিরিপানো ০
শফিউল ইসলাম অপরাজিত ৫
অতিরিক্ত (লে বা-২, নো-১, ও-৭) ১০
মোট (৫০ ওভার, ৮ উইকেট) ৩২২
উইকেট পতন : ১/৩৮ (লিটন), ২/৬৫ (শান্ত), ৩/১৫২ (মুশফিক), ৪/২৫৮ (মাহমুদুল্লাহ), ৫/২৯২ (তামিম), ৬/৩০৭ (মেহেদি), ৭/৩১০ (মাশরাফি), ৮/৩১১ (তাইজুল)।
জিম্বাবুয়ে বোলিং :
চার্ল মুম্বা : ১০-০-৬৪-২ (ও-১, নো-১),
চার্লটন টিসুমা : ৫-০-৩৫-১,
ডোনাল্ড তিরিপানো : ৮-০-৫৫-২ (ও-১),
ওয়েসলি মাধভেরে : ৭-০-৩৮-১,
সিকান্দার রাজা : ১০-০-৫৯-০ (ও-২),
সিন উইলিয়ামস : ৭-০-৩৫-০,
তিনোতেন্ডা মুতোমবদজি : ৩-০-৩৪-০ (ও-১)।
জিম্বাবুয়ে ইনিংস :
তিনাসি কামুনহুকামবে বোল্ড ব তাইজুল ৫১
রেগিস চাকাবা ক লিটন ব শফিউল ২
ব্রেন্ডন টেলর রান আউট (মিরাজ) ১১
সিন উইলিয়ামস এলবিডব্লু ব মিরাজ ১৪
ওয়েসলি মাধভেরে এলবিডব্লু ব তাইজুল ৫২
সিকান্দার রাজা ক মাহমুদুল্লাহ ব মাশরাফি ৬৬
রিচমন্ড মুতুম্বামি এলবিডব্লু ব তাইজুল ১৯
তিনোতেন্ডা মুতোমবদজি ক লিটন ব আল-আমিন ৩৪
ডোনাল্ড তিরিপানো অপরাজিত ৫৫
চার্ল মুম্বা বোল্ড অপরাজিত ০
অতিরিক্ত (লে বা-৬, ও-৮) ১৪
মোট (৮ উইকেট, ৫০ ওভার) ৩১৮
উইকেট পতন : ১/১৫ (চাকাবা), ২/৪৪ (টেইলর), ৩/৬৭ (উইলিয়ামস), ৪/১০২ (কামুনহুকামবে), ৫/১৮৩ (মাধভেরে), ৬/২১৩ (মুতুম্বামি), ৭/২২৫ (রাজা), ৮/৩০৫ (মুতোমবদজি)।
বাংলাদেশ বোলিং :
মাশরাফি বিন মর্তুজা : ১০-০-৫২-১ (ও-১),
শফিউল ইসলাম : ৯-০-৭৬-১ (ও-৩),
মেহেদি হাসান মিরাজ : ৭-০-২৫-১,
আল-আমিন : ১০-০-৮৫-১ (ও-৩),
তাইজুল ইসলাম : ১০-০-৫২-৩,
মাহমুদুুল্লাহ : ৪-০-২২-০ (ও-১)।
ফল : বাংলাদেশ ৪ রানে জয়ী।
ম্যাচ সেরা : তামিম ইকবাল(বাংলাদেশ)।
সিরিজ : তিন ম্যাচের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ।