বাসস দেশ-৩১ : শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণ এভিয়েশন খাতের ইতিহাসে অংশ হয়ে থাকবে : পর্যটন প্রতিমন্ত্রী

288

বাসস দেশ-৩১
বিমান প্রতিমন্ত্রী-টার্মিনাল
শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণ এভিয়েশন খাতের ইতিহাসে অংশ হয়ে থাকবে : পর্যটন প্রতিমন্ত্রী
ঢাকা, ২৩ অক্টোবর,২০১৯ (বাসস) : বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বলেছেন, হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণ এভিয়েশন খাতের উন্নয়নের ইতিহাসে উজ্জ্বল অংশ হয়ে থাকবে।
তিনি আজ বুধবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণ উপলক্ষ্যে আয়োজিত সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে একথা বলেন। জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
জাপানি দাতা সংস্থা জাইকা হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণে সম্পূর্ণ অর্থায়ন করবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশের এভিয়েশন খাত বিশ্বমানে পরিণত হওয়ার পথে এগিয়ে চলেছে।
তিনি বলেন,জনবান্ধব এভিয়েশন খাত গড়ে তোলার লক্ষ্যে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন,হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল এমনভাবে নির্মাণ করা হবে যাতে যাত্রীরা তা ব্যবহার করে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
তিনি জাপানি প্রতিনিধি দলকে বিমানবন্দর নির্মাণে আন্তর্জাতিক সকল মান অনুসরণ করার ব্যাপারে গুরুত্ব দেওয়ার অনুরোধ জানান।
জাইকার ঊর্ধ্বতন উপ-পরিচালক মিজ মিয়াহারা আই বলেন, জাইকা যথাসম্ভব দ্রুততার সঙ্গে তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের কাজ শুরু করতে চায়।
বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতের উন্নয়নে জাইকা যুক্ত হতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত এ কথা উল্লেখ করে তিনি কলেন,তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণে যাত্রীদের সন্তুষ্টি অর্জনের বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হবে।
সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মহিবুল হক, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোঃ মফিদুর রহমান এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ আতিকুল হক উপস্থিত ছিলেন।
বাসস/সবি/জেডআরএম/২০৫০/-কেএমকে