ঢাকা, শনিবার, মে ২৬, ২০১৮

সংবাদ শিরোনাম 

প্রধানমন্ত্রী : ভারতীয় বিনিয়োগকে বাংলাদেশ স্বাগত জানায় : প্রধানমন্ত্রী * প্রধানমন্ত্রীর রবীন্দ্রনাথের স্মৃতি বিজড়িত ঠাকুরবাড়ি পরিদর্শন   |   রাষ্ট্রপতি : নজরুলের আদর্শে অসাম্প্রদায়িক সমাজ গঠনের আহ্বান রাষ্ট্রপতির   |    জাতীয় সংবাদ : বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক দৃঢ় ও অব্যাহত থাকবে : মমতা * বাংলাদেশ ভবন উভয় দেশের সাংস্কৃতিক বিনিময়ের প্রতীক : মোদি * মাদকের ডন বা গডফাদার যে দলের হোক না কেউই ছাড় পাবে না : ওবায়দুল কাদের * ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় কবির জন্মবার্ষিকী উদযাপিত   |   প্রধানমন্ত্রী : ঢাকা-দিল্লী সহযোগিতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে : প্রধানমন্ত্রী * শান্তি নিকেতনের সমাবর্তনে প্রধানমন্ত্রী * শেখ হাসিনা-মোদি বৈঠক অনুষ্ঠিত   |    বিভাগীয় সংবাদ : খাদ্য সহায়তা পাচ্ছেন রাঙ্গামাটির সাড়ে ১৯ হাজার জেলে *চট্টগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় পিকআপভ্যান চালকসহ নিহত ২   |    আন্তর্জাতিক সংবাদ : নাজিব রাজাকের বাসভবন থেকে ৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার উদ্ধার * লিবিয়ার বেনগাজিতে গাড়ি বোমা হামলায় ৭ জন নিহত   |   

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ১,৬৫,৫৫০ : আইনমন্ত্রী

সংসদ ভবন, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ (বাসস) : আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, সারা দেশে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে গত ডিসেম্বর পর্যন্ত ১ লাখ ৬৫ হাজার ৫৫০টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
তিনি আজ সংসদে সরকারি দলের সদস্য দিদারুল আলমের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৪৪ হাজার ৫৪৬টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ৪৩ হাজার ৩০টি, রাজশাহী বিভাগে ১৬ হাজার ১২৮টি, খুলনা বিভাগে ১৯ হাজার ১৩৮টি, বরিশাল বিভাগে ১০ হাজার ১৬৩টি, সিলেট বিভাগে ১১ হাজার ৮০৭টি এবং রংপুর বিভাগে ২০ হাজার ৭৩৮টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
আনিসুল হক বলেন, সরকার নারী ও শিশু নির্যাতন অপরাধ দমন সংক্রান্ত মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আরো ৪১টি ট্রাইব্যুনাল সৃজনের মঞ্জুরি প্রদান করেছে। ওই ট্রাইব্যুনালসমূহের জন্য ২০৫টি সহায়ক পদও সৃজন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, নবসৃজিত এ পদগুলোতে সরকার অতি দ্রুত নিয়োগ প্রদান করছে, যাতে এ মামলাগুলো আরো দ্রুত নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে।
মন্ত্রী বলেন, পুরাতন মামলাগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তির লক্ষ্যে প্রত্যেক আদালত সাক্ষীর সমন জারি নিশ্চিতপূর্বক সাক্ষীগণকে হাজির করে দ্রুততম সময়ে সাক্ষ্য গ্রহণ করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
আইনমন্ত্রী বলেন, পুরাতন মামলাগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সলিসিটরের নেতৃত্বে মনিটরিং সেল কাজ করছে। এছাড়াও প্রতি জেলায় কেস ম্যানেজমেন্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং জেলা লিগ্যাল এইড অফিস স্থাপন করা হয়েছে।
আনিসুল হক বলেন, বিচারকের শূন্য পদ পূরণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং আরও অধিক সংখ্যক বিচারকের পদ সৃজনসহ নিয়োগ এবং আদালতের অবকাঠামোগত উন্নয়নের বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনাধীন রয়েছে।