ঢাকা, শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৭

সংবাদ শিরোনাম 

জাতীয় সংবাদ : রোহিঙ্গা ইস্যুতে কোন উস্কানিতে সরকার প্ররোচিত হবে না : ওবায়দুল কাদের * ইন্টারপোলের সম্মেলনে যোগ দিতে আইজিপি চীন গেছেন   |    আন্তর্জাতিক সংবাদ : মেক্সিকোয় ভূমিকম্পে আট বিদেশি নাগরিক নিহত   |   শিক্ষা : বিভিন্ন নদ-নদীর ৬৭ পয়েন্টে পানি হ্রাস পেয়েছে * জঙ্গি অর্থায়নের অভিযোগে ১১ গ্রেফতার   |   শিক্ষা : চ ইউনিটের অংকন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত   |   আবহাওয়া : দেশের কিছু কিছু জয়গায় বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে   |   খেলাধুলার সংবাদ : উল্ফসবার্গের বিপক্ষে জিততে পারলো না বায়ার্ন *ফিফা বর্ষসেরার সংক্ষিপ্ত তালিকায় রোনাল্ডো, মেসি, নেইমার *শ্রীলংকার বিপক্ষে পাকিস্তানের টেস্ট দলে ফিরলেন ইয়াসির   |    বিভাগীয় সংবাদ : রাঙ্গামাটিতে দিনব্যাপী শিক্ষা মেলা শুরু *সিলেটে বজ্রপাতে স্কুলছাত্রসহ দুজনের মৃত্যু   |    আন্তর্জাতিক সংবাদ : পুলিশের সহযোগিতায় ইংলাক দেশ ছেড়েছেন : সামরিক জান্তা * ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা ইরানের * পুয়ের্তো রিকোয় বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ায় ৭০ হাজার লোককে সরানোর নির্দেশ * ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে ভূমিকম্প   |   

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষেত্র বিশেষে ঋণের কিস্তি মওকুফ করতে এনজিওদের প্রতি আহবান ত্রাণমন্ত্রীর

কুড়িগ্রাম, ১৮ জুলাই, ২০১৭ (বাসস) : দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ঋণের কিস্তি বছর খানেকের জন্য স্থগিত বা ক্ষেত্র বিশেষে মওকুফ করতে এনজিওদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
তিনি বন্যাপ্লাবিত উত্তরাঞ্চল সফরের ৪র্থ দিনে সোমবার কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী ও উলিপুরের চর এলাকার বন্যা-কবলিত এলাকাসমুহ পরিদর্শনকালে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দু:খ-কষ্টের কথা শুনে এনজিও ঋণ প্রসঙ্গে তাৎক্সনিকভাবে এ আহবান জানান।
এসময় তিনি বন্যাপ্রবণ এলাকার অতি দরিদ্র এবং নদীভাঙ্গন কবলিত মানুষদের জন্য সরকারী উদ্যোগে ঘর নির্মাণের ঘোষণা দেন। মন্ত্রী বলেন,বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সাথে-সাথে তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ কথা জানানো।
এতে বলা হয় মায়া চৌধুরী কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী ও উলিপুরের চর এলাকায় ১২০০ লোকের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন। কষ্ট লাঘব না হওয়া পর্যন্ত সরকার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকবে বলে মন্ত্রী আশ্বাস দেন।
সংসদ সদস্য রুহুল আমিন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ শাহ্ কামাল, জেলা প্রশাসক আবু সালেহ মোঃ ফেরদৌস খান, স্থানীয় কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী এ সময় উল্লেখ করেন, বন্যা প্লাবিত মানুষের জন্য ত্রাণের অভাব নেই। তবে সকল ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে ত্রাণ দিতে সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। তিনি বলেন, সরকার পরিকল্পিতভাবে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করছে,যাতে প্রত্যেক মানুষ ত্রাণ সামগ্রী পায়।
এর আগে গতকাল রাতে তিনি জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের সাথে আলোচনাসভা করেন।
এ সভায় মন্ত্রী বলেন, সরকার বন্যাপ্লাবিত জেলাসমূহে এ যাবৎ ৬১হাজার মেট্রিক টন চাল, নগদ ১ কোটি ৫৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ৩৯ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার বরাদ্দ করেছে। প্রয়োজনে আরও খাদ্যশষ্য বরাদ্দ করবে। তিনি বলেন, প্রতি জেলায় ঘন্টায় ২ হাজার লিটার ক্ষমতাসম্পন্ন পানি বিশুদ্ধকরণ মোবাইল গাড়ি ইতোমধ্যেই পাঠানো হয়েছে।
গত মার্চ মাসে আগাম বন্যায় ফসলহানির কারণে সিলেট অঞ্চলের জেলাসমূহে প্রায় ৩ লাখ ৮০ হাজার পরিবারকে ভিজিএফ কার্ড দেয়া হয়েছে যা চলমান রয়েছে।
সভায় মন্ত্রী বলেন, জেলা প্রশাসকদের চাহিদা মত প্রয়োজনীয় খাদ্যশষ্য ও আর্থিক বরাদ্দ দেয়া হবে। বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ত্রাণ কার্যক্রম চলমান থাকবে। একটি লোকও যাতে খাবারের কারনে কষ্ট না পায় সর্বাত্মকভাবে সে-চেষ্টা চালিয়ে যেতে জেলা প্রশাসনকদের নির্দেশনাও দেন মন্ত্রী। তিনি বলেন ত্রাণ বিতরণে কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিতভাবে কাজ করার পাশাপাশি দায়িত্বশীলতারও পরিচয় দিতে হবে।
কুড়িগ্রামে ত্রাণ বিতরণ শেষে ত্রাণমন্ত্রী লালমনিরহাট জেলার বন্যাপ্লাবিত এলাকা পরিদর্শনের উদ্দেশে রওয়ানা হন।

সম্পর্কিত সংবাদ