ঢাকা, রবিবার, অগাস্ট ২০, ২০১৭

সংবাদ শিরোনাম 

অর্থনীতি : ২০২১ সালের আগেই ৫০ লাখ মানুষকে করের আওতায় আনবে এনবিআর   |   বিনোদন ও শিল্পকলা : কাল শিল্পকলা একাডেমীতে একুশ আগস্টের ওপর বিহাইন্ড দ্যা গ্রেনেড প্রদর্শনী    |    জাতীয় সংবাদ : বৃষ্টি না হলে ঈদের আগেই ক্ষতিগ্রস্ত সড়কসমূহ যানবাহন চলাচলের উপযোগী করা সম্ভব হবে: ওবায়দুল কাদের *জড়িতদের বিচার দেখে মরতে চান ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় আহতরা *পনের ও একুশে আগস্টের হামলা একই সূত্রে গাঁথা : তোফায়েল   |   প্রধানমন্ত্রী : বন্যা দুর্গতরা নতুন ফসল ঘরে তোলার আগ পর্যন্ত ত্রাণ সামগ্রী পাবেন : প্রধানমন্ত্রী    |   শিক্ষা : জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪র্থ বর্ষ অনার্স পরীক্ষা ২৩ আগস্ট শুরু   |    আন্তর্জাতিক সংবাদ : পূর্ব ইউক্রেনে সশস্ত্র সংঘাতে প্রায় ৩ হাজার বেসামরিক নাগরিক নিহত * তাল আফর পুনর্দখলে ইরাকের যুদ্ধ শুরু * সিরীয় যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা করতে মস্কো যাচ্ছেন নেতানিয়াহু   |   রাষ্ট্রপতি : সাবেক এমপি খাঁন টিপু সুলতানের ইন্তেকালে রাষ্ট্রপতির শোক   |   আবহাওয়া : দেশের কোথাও কোথাও মাঝারী ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে   |    জাতীয় সংবাদ : বিচারকদের শৃংখলাবিধি প্রকাশের পরবর্তী তারিখ ৮ অক্টোবর * সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা খান টিপু সুলতানের জানাজা অনুষ্ঠিত * কোটালীপাড়ায় শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার দায়ে ১০ আসামীর মৃত্যুদন্ড    |   খেলাধুলার সংবাদ : অনুর্ধ্ব-১৭ ফিফা বিশ্বকাপে সাতজন সহকারী নারী রেফারী *দ্বিতীয় ম্যাচেও বড় ব্যবধানে জয় পেল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড   |    বিভাগীয় সংবাদ : বরগুনায় ৫টি গুরুত্বপূর্ণ সেতু সংস্কারবিহীন * ভোলায় বিট পুলিশিং সেবা চালু * কালিহাতীতে পৌলী রেল সেতুর এপ্রোচ অংশে ধস : যোগাযোগ বন্ধ * জয়পুরহাটে ২শ ১টি পরিবারে বিদ্যুৎ সংযোগ   |   

খালেদা জিয়ার ভিশন-২০৩০ হলো বিভিষণ-২০৩০ : ইয়াফেস ওসমান

ঢাকা, ২০ মে, ২০১৭ (বাসস) : c বিএনপি-জামায়াতের দেশ ও উন্নয়ন বিরোধী সকল অপপ্রচার ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, সম্প্রতি বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ঘোষিত ভিশন-২০৩০ হলো, প্রকৃতপক্ষে বিভিষণ-২০৩০। বিএনপি হলো ঘরের শত্রু বিভিষণ।
শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও ভারত-বাংলাদেশ সম্পকর্ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় স্থপতি ইয়াফেস ওসমান একথা বলেন। বঙ্গবন্ধু পরিষদ এই আলোচনা সভার আয়োজন করে। সভায় সভাপতিত্ব করেন বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী লীগ উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য ডা. এস এ মালেক।
অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনষ্টিটিউটের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. জিন্নাত ইমতিয়াজ আলী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান, ফার্মেসী বিভাগের সাবেক ডীন অধ্যাপক আ ব ম ফারুক, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ ফায়েকুজ্জামান, সাবেক রাষ্ট্রদূত ও কুটনীতিক আতিকুর রহমান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোঃ কাফি প্রমুখ বক্তব্য দেন। বঙ্গবন্ধু পরিষদের নেতা মতিউর রহমান লাল্টু ও আবদুল মতিন ভূইয়ার পরিচালনা করেন।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যাকান্ডের ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রতিষ্ঠিত করার জন্য কাজ শুরু করে। পরবর্তীতে আমরা আবারও শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করে তাঁর নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার শক্তি ক্ষমতায় এসেছি।
ইয়াফেস ওসমান বর্তমানে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক যে কোন সময়ের চেয়ে বেশী শক্তিশালী উল্লেখ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরকালে সেদেশের (ভারত) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রটোকল ভেঙে বিমানবন্দের শেখ হাসিনাকে অভ্যর্থনা জানিয়েছেন।
সভাপতির বক্তব্যে ডা. এস এ মালেক বলেছেন, ভারতের বিশাল অর্থনীতির বিপরীতে বাংলাদেশকে টিকে থাকতে হলে আর্থ সামাজিক রাষ্ট্রীয় সব বিবেচনায় নিলে ভারতের সাথে বাংলাদেশের বন্ধুত্বের বিকল্প নেই।
এস এ মালেক বলেন, পররাষ্ট্র নীতি চিরস্থায়ী কোন বিষয় নয়, সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে এই নীতির বিষয়ও পরিবর্তন ও পরিবর্ধন হতেই পারে। ১৯৭২-৭৫ শাসনামলে ভারতের সাথে পররাষ্ট্র নীতির যে দিকদর্শন ছিল পরবর্তীতে সামরিক শাসকরা ও বিএনপি জামায়াত জোট ক্ষমতায় এসে এই সম্পর্ককে মারাত্মক অবনতি ঘটায়। ভারতকে বাংলাদেশের চির শত্রু হিসেবে জনগণের কাছে তুলে ধরে যা দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ক্ষেত্রে কাঙ্খিত ছিল না।
তিনি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা জনগণের ভালোবাসায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসে ভারতসহ পৃথিবীর সকল দেশের সাথে সুসম্পর্ক স্থাপন এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার যে গতিশীলতা আনয়ন করেছেন তার সুফল ইতিমধ্যেই আমাদের জনগণ ভোগ করছে।
ডা. এস এ মালেক আরও বলেন, ভারত বাংলাদেশ উভয় দেশের জনগণের কল্যাণ, সমৃদ্ধি, শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার স্বার্থে এবং এই অঞ্চলের চিরস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দুই দেশ কাজ করবে এই প্রত্যাশাই করছি।
আলোচনা সভায় বক্তারা আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন ইস্যুতে বিএনপি-জামায়াত জোট ভারত রিরোধী মনোভাবকে উস্কে নিয়ে রাজনৈতিক ফায়াদা লুটতে চাচ্ছে উল্লেখ করে বলেছেন, কিন্তু প্রকৃত অর্থে প্রতিবেশী দেশ ভারত বাংলাদেশের কঠিন ও বিপদের সময়ের বন্ধু।

সম্পর্কিত সংবাদ