ঢাকা, রবিবার, জুন ২৫, ২০১৭

সংবাদ শিরোনাম 

রাষ্ট্রপতি : রথযাত্রা উৎসব সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধনকে দৃঢ় করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে : রাষ্ট্রপতি   |   প্রধানমন্ত্রী : ধর্মীয় উৎসব মানুষের মনের উদারতা বিকশিত করে : শেখ হাসিনা   |    বিভাগীয় সংবাদ : চট্টগ্রামে ১৫ লাখ ইয়াবা উদ্ধার ও মায়ানমারের নাগরিকসহ ১২ জন গ্রেফতার * নাটোরের ঈদ আনন্দে ছোটদের হাতে হাতে ছড়িয়ে যাচ্ছে খেলনা গাড়ি * নড়াইলে বিউটিফিকেশন এ্যান্ড পার্লার ম্যানেজমেন্ট প্রশিক্ষণ নিয়ে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন ৫০ তরুণী    |    জাতীয় সংবাদ : মানুষ স্বস্তিতে বাড়ি ফিরছে : ওবায়দুল কাদের * এবারের বাজেটে হবে বাংলাদেশের সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ বাজেট : বাণিজ্যমন্ত্রী * এবার ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তি কম : আইজিপি   |    জাতীয় সংবাদ : জ্বালাও পোড়াও করলে কঠোর হস্তে দমন করা হবে : নাসিম * পীরগঞ্জে সিমেন্ট ভর্তি ট্রাক উল্টে মহিলা ও শিশুসহ নিহত ১৬ * রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনায় স্পিকারের শোক * চট্টগ্রাম ওয়াসা প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন বৃদ্ধি অনুমোদন   |    আন্তর্জাতিক সংবাদ : দাবি না মানলে কাতারের সঙ্গে পথ আলাদা হয়ে যাবে : আমিরাত *চীনে বড়ো ধরনের ভূমিধস : ১৪০ জনের প্রাণহানি, প্রায় ১শ লোকের চাপা পড়ার আশঙ্কা *মসুলে আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহত ৩*   |   খেলাধুলার সংবাদ : শ্রীলংকার প্রধান কোচের পদ থেকে সড়ে দাঁড়ালেন ফোর্ড *ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে সমতা আনলো দক্ষিণ আফ্রিকা   |   

শিশুর প্রতি শারীরিক সহিংসতা বন্ধে জাতীয় প্রচারাভিযান শুরু

ঢাকা, ২৩ মার্চ, ২০১৭ (বাসস) : শিশুর প্রতি শারীরিক সহিংসতা বন্ধে জাতীয় প্রচারাভিযান আজ রাজধানীতে শুরু হয়েছে। আমিই পারি শিশুর প্রতি শারীরিক সহিংসতা বন্ধ করতে এই শ্লোগান নিয়ে বিশ্বব্যাপী প্রচারাভিযানের অংশ হিসেবে আজ রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টার ইন মিলনায়তনে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি)র মুখ্য সমন্বয়কারী মো. আবুল কালাম আজাদ এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ-এর ন্যাশনাল ডিরেক্টর ফ্রেড উইটেভেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের স্থায়ী সদস্য মো. নজরুল ইসলাম, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মাসুক মিয়া, বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরামের পরিচালক আবদুস শহীদ মাহমুদ, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ-এর পরিচালক চন্দন জেড গোমেজ, উপ-পরিচালক সাবিরা সুলতানা নুপুর এবং ঘাসফুল শিশু ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সায়মা আক্তার দিপ্তী।
বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এবং চাইল্ড রাইটস এডভোকেসি কোয়ালিশন ইন বাংলাদেশ যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। তারা যৌথভাবে এ প্রচারাভিযান বাস্তবায়ন করবে।
এসডিজির মুখ্য সমন্বয়কারী মো: আবুল কালাম আজাদ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বাস্তবায়নে শিশুর প্রতি শারিরিক সহিংসতা বন্ধে অধিক গুরুত্ব দেয়া হবে বলে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জন নিশ্চিত করতে হলে সবার আগে শিশুর প্রতি সব ধরনের নির্যাতন ও সহিংসতা বন্ধ করতে হবে। তাই টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বাস্তবায়ন কর্মসূচিতে শিশুদের অধিকার রক্ষায় মনিটরিং জোরদার করা হবে। তিনি বাংলাদেশকে উন্নত আয়ের দেশ হিসেবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ২০৩০ সালের মধ্যে শিশুর প্রতি শারিরিক সহিংসতা বন্ধ করা হবে বলে উল্লেখ করেন।
মো. আবুল কালাম আজাদ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে উন্নয়ন অংশীদারদের সহযোগিতা জোরদার করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, খুব শীঘ্রই এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে একটি এ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করা হবে।
শিশুর প্রতি সহিংসতা বন্ধে বাংলাদেশ সরকারের পরিচালিত উদ্যোগগুলোকে সহায়তা করা- বিশেষ করে এসডিজির ১৬.২ (শিশুর প্রতি অনাচার, দুর্ব্যবহার, পাচার, এবং সব ধরনের সহিংসতা ও নিপীড়ন বন্ধ করা) প্রতিষ্ঠিত করাই এ প্রচারাভিযানের লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক বলেন, বাল্যবিয়ে নিরোধ আইনে যে বয়সসীমা দেয়া হয়েছে তা হতাশাজনক এবং স্পষ্টভাবেই শিশু তথা মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল। তিনি এই আইনের অধীনে যে বিধান হবে, তা যেন শিশু অধিকারের পরিপন্থী না হয় সে বিষয়ে দৃষ্টি দিতে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
সাবিরা সুলতানা নুপুর তার উপস্থাপিত মূল প্রবন্ধে বলেন, বাংলাদেশ সরকার শিশু-সুরক্ষায় বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। এর সফলতা সত্ত্বেও শিশুর প্রতি শারীরিক সহিংসতার হার কমেনি। সম্প্রতি ইউনিসেফ পরিচালিত জরিপের তথ্যমতে, ১-১৪ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে ৮২ শতাংশই বিভিন্নভাবে নির্যাতনের শিকার।
তিনি জানান, নতুন এই প্রচারাভিযানের লক্ষ্য এসডিজির সাথে সঙ্গতি রেখে ২০২১ সালের মধ্যে বাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং কর্মক্ষেত্রে শিশুর প্রতি শারীরিক সহিংসতা বন্ধে অবদান রাখা। সেইসাথে দেশের ৫০ লাখ শিশুর জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা। এই প্রচারাভিযানের অংশ হিসেবে ওয়ার্ল্ড ভিশন দেশের ৩৪টি জেলার ৮০০টি শিশু ফোরামের মাধ্যমে প্রায় দুই লাখ শিশু প্রতিনিধির সাথে কাজ করবে।

সম্পর্কিত সংবাদ