ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী ১৮, ২০১৮

সংবাদ শিরোনাম 

রাষ্ট্রপতি : বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের চমৎকার সম্পর্ক রয়েছে : রাষ্ট্রপতি   |    বিভাগীয় সংবাদ : দিনাজপুরে নাশকতার মামলায় ৪ জেএমবি সদস্যের জামিন আবেদন নামঞ্জুর   |   জাতীয় সংসদ : বঙ্গবন্ধু সেতুতে ডুয়েলগেজ রেললাইনসহ পৃথক রেল সেতু নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী * আগামী বাজেটে বেসরকারি বিদ্যালয়ের এমপিও অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নিবে : প্রধানমন্ত্রী *সকল জেলায় হাইটেক পার্ক স্থাপন করা হবে : প্রধানমন্ত্রী   |   জাতীয় সংসদ : সরকার প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষার প্রতি অত্যন্ত যত্নশীল : প্রধানমন্ত্রী * ২০০৯ সাল থেকে অদ্যাবধি রেলওয়ের বিভিন্ন পদে ১০ হাজার ৩৯১ জনকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে : রেলপথ মন্ত্রী * কিছু রাজনীতিবিদ নির্বাচন এলে বক্রপথে ক্ষমতায় যাবার স্বপ্ন দেখে : প্রধানমন্ত্রী   |   শিক্ষা : শর্ত পূরণ না করা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে : শিক্ষামন্ত্রী   |   বিনোদন ও শিল্পকলা : প্রাচ্যনাটের অ্যাকটিং স্কুলের নতুন নাটক নৈশভোজ মঞ্চস্থ হলো   |    আন্তর্জাতিক সংবাদ : ট্রাম্পের স্বাস্থ্যগত জটিলতা নেই : চিকিৎসক   |   প্রধানমন্ত্রী : উন্নত দেশগুলোকে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর আহবান প্রধানমন্ত্রীর   |   আবহাওয়া : দেশের কিছু স্থানে শৈত্যপ্রবাহ কমবে   |   খেলাধুলার সংবাদ : মিরপুর স্টেডিয়ামের শততম ওয়ানডে ম্যাচে শ্রীলংকাকে ২৯১ রানের টার্গেট দিলো জিম্বাবুয়ে *আমাদের পেস বোলাররাই সেরা : রুবেল   |    জাতীয় সংবাদ : ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন বন্ধে সরকারের কোন হাত নেই : ওবায়দুল কাদের *ঢাকা উত্তর সিটির উপ-নির্বাচন স্থগিত * নবম ওয়েজ বোর্ডে সাংবাদিকদের স্বার্থ গুরুত্ব পাবে: তারানা হালিম * আপিল শুনানির কার্যতালিকায় যুদ্ধাপরাধী আজহার-কায়সার-সুবহানের মামলা   |    আন্তর্জাতিক সংবাদ : ফিলিস্তিনের জন্য জাতিসংঘ সংস্থা থেকে বরাদ্দকৃত অর্থ প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রের * মিয়ানমারে রাখাইন বৌদ্ধদের ওপর পুলিশের হামলা ॥ নিহত ৭ * পেরুর সাবেক প্রেসিডেন্টের হাসপাতাল ত্যাগ * মেক্সিকোয় গণকবর থেকে ৩২টি লাশ উদ্ধার    |   

বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় কারাগারে আটক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৫ জনের আপীল খারিজ, মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল

ঢাকা, ১৯ নভেম্বর (বাসস) : সুপ্রিম কোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. তাফাজ্জাল ইসলামের নেতৃত্বে আপীল বিভাগের ৫ সদস্যের বেঞ্চ বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কারাগারে আটক ৫ আসামির আপীল আবেদন খারিজ করে দিয়ে হাইকোর্টের দেয়া রায় বহাল রেখেছেন৷
বেঞ্চের সিনিয়র বিচারপতি মো. তাফাজ্জাল ইসলাম আজ কড়া নিরাপত্তায় জনাকীর্ণ আদালত কক্ষে এ রায় ঘোষণা করেন৷ রায়ে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৫ আসামির আপীল আবেদন খারিজ করে দেয়া হয়৷
বিচারপতি মো. তাফাজ্জাল ইসলাম বলেন, হাইকোর্টের দেয়া রায়ে কোন অসঙ্গতি না থাকায় আপীল বিভাগ তা বহাল রেখেছে৷
মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১২ জনের মধ্যে কারাগারে আটক ৫ জনের আপীল আবেদনের ওপর দীর্ঘ ২৯ দিনের শুনানি শেষে আপীল বিভাগ এই রায় প্রদান করেন৷
এ রায়ের ফলে হাইকোর্টের দেয়া রায়ে ১২ জন সাবেক সেনা কর্মকর্তার ফাঁসির আদেশ বহাল রইলো৷
রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, রাষ্ট্রপক্ষ সন্দেহাতীতভাবে আসামিদের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণে সক্ষম হয়েছে৷ এতে বলা হয়, এ হত্যাকাণ্ড কোনরূপ বিদ্রোহের জন্য হয়নি৷ বঙ্গবন্ধু তাঁর পরিবার ও নিকটাত্মীয়দের হত্যার জন্য ষড়যন্ত্র হয়েছিল৷
হত্যাকারীরা 'একটিভ সার্ভিসে' ছিল না তাই তাদের ক্ষেত্রে সেনা আইনে বিচার প্রযোজ্য নয়৷ তাদের বিচার সাধারণ ফৌজদারি আইনেই প্রযোজ্য৷
পর্যবেক্ষণে বলা হয়, রাষ্ট্রপক্ষ মামলা দায়েরে বিলম্বের জন্য যে যুক্তি উপস্থাপন করেছে বিচারিক আদালত ও হাইকোর্ট বিভাগের কাছে তা গ্রহণযোগ্য মনে হয়েছে বিধায় আপিল বিভাগ এ প্রশ্নে কোন প্রকার হস্তক্ষেপের প্রয়োজন মনে করেনি এবং দণ্ডিতদের শাস্তি কমানোর পক্ষে আপীলকারীগণ যেসব যুক্তি উপস্থাপন করেছে তা যথাযথ হয়নি বিধায় আপিল বিভাগ বিচারিক আদালত ও হাইকোর্টের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপের প্রয়োজন বোধ করেননি৷
বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১২ আসামির মধ্যে ৫ জন কেন্দ্রীয় কারাগারে কনডেম সেলে আটক রয়েছে৷ বাকি ৭ জনের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে৷ অপর ৬ জন বিদেশে পলাতক রয়েছে৷
কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৫ জন হলো- বরখাস্তকৃত কর্নেল সৈয়দ ফারুক রহমান, সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান, মহিউদ্দিন আহমেদ (আর্টিলারি), একেএম মহিউদ্দিন ল্যান্সার ও বরখাস্তকৃত মেজর বজলুল হুদা৷
মামলায় রাষ্ট্র পক্ষের প্রধান আইনজীবী আনিসুল হক রায়ের বিষয়ে তাত্‍ক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, 'আমরা ন্যায় বিচার পেয়েছি'৷
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার ৩৪ বছর পর ১৩ বছরের সুরক্ষিত আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এই ঐতিহাসিক রায় এসেছে৷
আইনজীবীরা বলেন, সুপ্রিম কোর্টের নিয়ম অনুয়ায়ী সর্বোচ্চ আদালত অপারেটিভ অংশের পরিবর্তে রায়ের পুরো রায় পড়ে শোনান৷
পরে এক জনাকীর্ণ প্রেস ব্রিফিংয়ে আনিসুল হক বলেন, ৫ জন তাদের মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল আবেদনের সুযোগ পেয়েছে৷ অপর মৃতু্য দন্ডপ্রপ্তরা এই সুয়োগ গ্রহণ না করায় গ্রেফতার হলেই তাদের বেলায় এই ফাঁসির রায় কার্যকর হবে৷
তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এই ৫ জন আইনের বিধান অনুসরণ করে আপীল বিভাগে রায়ের ব্যাপারে রিভিউ পিটিশন করতে পারবে৷
তিনি বলেন, অন্যদিকে জেল কোড অনুযায়ী জেল কর্তৃপক্ষকে এই রায়ের কপি পাওয়ার ২১ থেকে ২৮ দিনের মধ্যে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের ফাঁসি কার্যকর করতে হবে৷
এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, পলাতক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের আত্মসমর্পণ অথবা গ্রেফতারের মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়ায় নিয়ে আনা হলে সর্বোচ্চ আদালত তাদের আপীল আবেদনের বিষয়টি বিবেচনা করতে পারবে৷
তিনি বলেন, স্বচ্ছ বিচার প্রক্রিয়ায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা তাদের ডিফেন্ড করার সকল আইনি সুযোগ-সুবিধা পেয়েছে৷
উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় মৃতু্যদণ্ডে দণ্ডিত ১২ আসামির মধ্যে কারাগারে আটক ৫ আসামির দায়ের করা আপিলের ওপর গত ৫ অক্টোবর আপীল বিভাগে শুনানি শুরু হয়৷
টানা ২৯ কার্যদিবস শুনানি শেষে গত ১২ নভেম্বর আপীল বিভাগ আজ ১৯ নভেম্বর রায় ঘোষণার তারিখ ধার্য করেন৷
বিচারপতি মো. তাফাজ্জাল ইসলাম, বিচারপতি মো. আবদুল আজিজ, বিচারপতি বিজন কুমার দাস, বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেন ও বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাকে নিয়ে গঠিত আপিল বিভাগের বেঞ্চে এই আপিল আবেদনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়৷
প্রধান বিচারপতি এমএম রুহুল আমিন বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার আপিল নিষ্পত্তির জন্য গত ৪ অক্টোবর এই বেঞ্চ গঠন করেন৷
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের তিনজন বিচারপতিকে নিয়ে গঠিত একটি বেঞ্চ ২০০৭ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর দণ্ডিত ৫ আসামীর লিভ টু আপিল মঞ্জুর করে নিয়মিত আপিল দায়েরের নির্দেশ দিয়েছিলেন৷
বিচারপতি মো. তাফাজ্জাল ইসলাম, বিচারপতি মো. জয়নুল আবেদীন ও বিচারপতি মো. হাসান আমীন সমন্বয়ে গঠিত আপিল বিভাগের একটি এই বেঞ্চ ২৬ কার্যদিবস শুনানি শেষে লিভ মঞ্জুরের ওই আদেশ দিয়েছিলেন৷
এই মামলায় আপিল শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে প্রধান কৌঁসুলি হিসেবে আনিসুল হক শুনানি করেন৷ এটর্নি জেনারেলের পদমর্যাদায় তাকে এই নিয়োগ দেয়া হয়৷
প্রধান কৌঁসুলির পাশাপাশি এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কিউসি, এডভোকেট তৌফিক নেওয়াজ, এ এফ এম মেজবাহ উদ্দিন ও এডভোকেট আবদুল মতিন খসরু রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ কেঁৗসুলি হিসেবে শুনানিতে অংশ নেন৷
অপরদিকে আপিল দায়েরকারী ৫ আসামির পক্ষে কেঁৗসুলি হিসেবে শুনানিতে অংশ নেন ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ-আল মামুন, খান সাইফুর রহমান ও আবদুর রেজাক খান৷
মামলার শুনানি চলাকালীন আদালত অঙ্গনে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়৷ বিশেষ করে আজ রায় ঘোষণা উপলক্ষে সুপ্রিম কোর্টে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে জোরদার করা হয়৷ আদালত এলাকা নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেয়া হয়৷ এছাড়া বাংলাদেশ সচিবালয়, কেন্দ্রীয় কারাগারসহ সকল গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়৷
গত ২৩ আগস্ট এই হত্যা মামলার আপিলের ৩৬ পৃষ্ঠার সারসংক্ষেপ (কনসাইজ স্টেটমেন্ট) সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় জমা দেয়া হয়৷ গত ২৪ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে আপিল বিভাগ ৫ অক্টোবর শুনানির তারিখ ধার্য করেছিলেন৷
মামলার সারসংক্ষেপে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের নিয়মিত আপিল কী কী কারণে খারিজ করা যায়, সেই যুক্তি তুলে ধরা হয়৷ এছাড়া হাইকোর্টের দেয়া রায় সঠিক বলে সারসংক্ষেপে উল্ল্লেখ করা হয়েছে৷
মৃতু্যদণ্ডপ্রাপ্ত কারাবন্দী ৫ জনের লিভ-টু-আপিল মঞ্জুরের পর শুনানি গ্রহণের মতো প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিচারক আপিল বিভাগে না থাকায় বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা বিচারক সংকটের কারণে প্রায় দুই বছর এই শুনানি শুরু করা সম্ভব হয়নি বলে আদালত সূত্রে জানা যায়৷
রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান আপিল বিভাগে চারজন বিচারপতি নিয়োগ করায় সেই সংকট দূরীভূত হয়৷ ফলে নানা প্রতিবন্ধকতা অতিক্রমের পর ঐতিহাসিক এ মামলার আপিল শুনানি শুরুর মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত নিষ্পত্তির আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়৷
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট মধ্যরাতে বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নৃশংসভাবে হত্যার ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে ২ অক্টোবর বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিগত সহকারী আ ফ ম মুহিতুল ইসলাম বাদী হয়ে ধানমন্ডি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন৷ ১৯৯৭ সালের ১৫ জানুয়ারি সিআইডি এ মামলায় ২০ জন আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন৷
১৯৯৮ সালের ৮ নভেম্বর ঢাকার দায়রা জজ কাজী গোলাম রসুল ১৫ আসামীকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়ে মামলার রায় ঘোষণা করেন৷ এই বিচারিক আদালতে ১৪৬ কার্যদিবসে মামলাটির শুনানি সম্পন্ন হয়৷
পরবতর্ীতে আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের শুনানি শেষে ২০০০ সালের ১৪ ডিসেম্বর হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ এ মামলায় বিভক্ত রায় দেন৷ এর মধ্যে বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. রুহুল আমিন ১০ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন৷ অপরদিকে সহযোগী বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক ১৫ জনের মৃতু্যদণ্ড বহাল রেখে রায় প্রদান করেন৷
বিধি অনুযায়ী বিষয়টি একটি তৃতীয় বেঞ্চে পাঠানো হলে ২০০১ সালের ৩০ এপ্রিল বিচারপতি মোহাম্মদ ফজলুল করিমকে নিয়ে গঠিত একটি একক বেঞ্চ ১২ আসামির মৃতু্যদণ্ড বহাল রেখে অন্য ৩ জনকে খালাস দেন৷
এর মধ্যে কারাবন্দী সৈয়দ ফারুক রহমান, শাহরিয়ার রশীদ খান, বজলুল হুদা ও মহিউদ্দিন আহমেদ ২০০১ সালেই হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ-টু-আপিল দায়ের করেন৷
আরেক আসামি একেএম মহিউদ্দিন আহমেদকে ২০০৭ সালের ১৮ জুন যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশে ফেরত পাঠালে বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়৷ ওই বছরের ২৪ জুন তিনি জেল আপিল করেন৷
৯ বছর ৭ মাস ১৬ দিন বিলম্ব মার্জনার জন্য মহিউদ্দিন আপিল বিভাগে আবেদন পেশ করেন৷ ২০০৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগ তার আবেদন গ্রহণ করে তাকে লিভ-টু-আপিল দায়েরের অনুমতি দেন৷
পলাতক দণ্ডিতরা হচ্ছেন_ বরখাস্তকৃত সাবেক সেনা কর্মকর্তা খন্দকার আবদুর রশিদ, শরিফুল হক ডালিম, নূর চৌধুরী, মোসলেম উদ্দিন, রাশেদ চৌধুরী ও আবদুল মাজেদ৷

সম্পর্কিত সংবাদ